রংপুরে শিক্ষক দম্পতিসহ চারজনকে হত্যার ঘটনায় জামায়াত আমিরের উদ্বেগ
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার একটি বাসা থেকে শিক্ষক দম্পতিসহ চারজনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তিনি দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

সম্প্রতি দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং রংপুরে শিক্ষক দম্পতিসহ একই পরিবারের চারজনকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে, যা সাধারণ মানুষের জীবন নিরাপত্তাকে চরম হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার একটি বাসা থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী এবং তাদের দুই সন্তান প্রীয়ম চক্রবর্তী ও আগামী চক্রবর্তী। একটি বাসা থেকে এই শিক্ষক দম্পতিসহ চারজনের মরদেহ উদ্ধারের পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাদের চারজনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য পাওয়া গেছে, যা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। একটি পরিবারকে এভাবে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার ঘটনায় সব মহলে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এর দায় নিতে হবে। দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই চরম অবনতি এবং এত বড় একটি হত্যাকাণ্ডের দায় দায়িত্বশীল মন্ত্রী হিসেবে তাকেই বহন করতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। শিক্ষক দম্পতি ও তাদের দুই সন্তানের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবিও জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার ওই বাসা থেকে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের সদস্যদের লাশ উদ্ধারের পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা আরও তীব্র হয়েছে। দেশজুড়ে চলমান বিভিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই সার্বিক অবনতিতে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন মহল থেকেও উদ্বেগ জানানো হচ্ছে। শিক্ষক পরিবারের চার সদস্যের এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং এর সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি এখন সর্বমহলে জোরালো হয়ে উঠেছে।








