মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধের পর পুনরায় চালুর খবরদুর্গাপূজায় ল্যাভেন্ডার শাড়িতে জয়া আহসানের নতুন লুক প্রকাশভারতের বিপক্ষে আফগানিস্তানের ১৬০ রানের লক্ষ্য, নবির লড়াকু ইনিংসসিরাজগঞ্জে বেশি দামে ডিম বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানাবিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসেমেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধের পর পুনরায় চালুর খবরদুর্গাপূজায় ল্যাভেন্ডার শাড়িতে জয়া আহসানের নতুন লুক প্রকাশভারতের বিপক্ষে আফগানিস্তানের ১৬০ রানের লক্ষ্য, নবির লড়াকু ইনিংসসিরাজগঞ্জে বেশি দামে ডিম বিক্রির দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানাবিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — Trusted & Targeted News

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম নীতি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া সমালোচনা

যুক্তরাজ্যের নতুন গণমাধ্যম পরিকল্পনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তাদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী সংবাদমাধ্যমকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত অনলাইনে সেন্সরশিপ বাড়াতে পারে।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · মিনিট পড়া

যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম নীতি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া সমালোচনা
ছবি: বিডিরিভাইস২৪

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

যুক্তরাজ্যের সরকারের একটি নতুন পরিকল্পনা নিয়ে তীব্র সমালোচনা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। লন্ডনে মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে ঐতিহ্যবাহী ও প্রতিষ্ঠিত সম্প্রচারমাধ্যমগুলোকে অতিরিক্ত প্রাধান্য দেওয়ার যে পরিকল্পনা ডাউনিং স্ট্রিট হাতে নিয়েছে, তা নিয়ে তারা গভীরভাবে চিন্তিত। যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর কালচার, মিডিয়া অ্যান্ড স্পোর্ট-এর সাম্প্রতিক একটি মিডিয়া গ্রিন পেপার বা নীতি প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে এই আন্তর্জাতিক মতবিরোধ তৈরি হয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের মূল আপত্তির জায়গা হলো, এই ধরনের নীতিমালা কার্যকর করা হলে তা অনলাইনে সেন্সরশিপের পথ প্রশস্ত করতে পারে। মার্কিন সরকারের সুনির্দিষ্ট বক্তব্য অনুযায়ী, এই ধরনের পদক্ষেপের মাধ্যমে এমন এক বিপজ্জনক কাঠামোগত উদাহরণ সৃষ্টি হতে পারে, যা ভবিষ্যতে বিশ্বের বিভিন্ন কর্তৃত্ববাদী বা স্বৈরাচারী সরকার নিজেদের দেশের অনলাইন কনটেন্ট ও তথ্যপ্রবাহের ওপর আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার পক্ষে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।

লন্ডনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস থেকে এই বিষয়ে আরও জোরালোভাবে বলা হয়েছে যে, প্রস্তাবিত এই নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে তা কেবল সেন্সরশিপের ঝুঁকিই বাড়াবে না, বরং দিন দিন স্বাধীন সাংবাদিকদের কাজ করার পরিবেশকেও মারাত্মকভাবে দুর্বল বা ক্ষতিগ্রস্ত করে তুলতে পারে। মুক্ত ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পথ সংকুচিত হওয়ার এই শঙ্কার কথা মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে স্পষ্ট ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে।

মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে তাদের নীতিগত অগ্রাধিকারের বিষয়টি স্পষ্ট করে আরও জানানো হয়েছে যে, একটি স্বাধীন ও উন্মুক্ত ইন্টারনেট ব্যবস্থা অক্ষুণ্ণ রাখা এবং অনলাইনে প্রতিটি মানুষের মতপ্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা রক্ষা করা বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রাপ্ত বিষয়গুলোর অন্যতম। মার্কিন সরকার মনে করে, ডিজিটাল দুনিয়ায় কোনো ধরনের বৈষম্যমূলক নীতি চালুর ফলে বাকস্বাধীনতা ও মুক্তমতের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকেও এই সমালোচনার জবাবে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর কালচার, মিডিয়া অ্যান্ড স্পোর্ট জানিয়েছে যে, তাদের প্রণীত মিডিয়া গ্রিন পেপার বা নীতি প্রস্তাবটির বিষয়ে যেকোনো ধরনের গঠনমূলক আলোচনা, যুক্তিসংগত সম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন পক্ষের মতামত বা প্রতিক্রিয়াকে তারা সবসময় স্বাগত জানায়। একই সঙ্গে ব্রিটিশ এই বিভাগটি জোর দিয়ে উল্লেখ করেছে যে, তারাও দেশের ভেতর ও বাইরে মুক্ত প্রকাশভঙ্গি এবং একটি সুস্থ ও নিরপেক্ষ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় রাখার নীতিতে গভীর আস্থাশীল।

উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে বিবিসি এবং আইটিভির মতো ঐতিহ্যবাহী ও প্রতিষ্ঠিত ব্রডকাস্টার বা সম্প্রচারমাধ্যমগুলোকে তুলনামূলকভাবে বেশি দৃশ্যমানতা বা প্রাধান্য দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ব্রিটিশ সরকারের এই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েই মূলত যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে এই মতপার্থক্যের সূত্রপাত হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

যুক্তরাজ্যের এই বিতর্কিত পরিকল্পনা নিয়ে স্থানীয় বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সাইমন স্কুইব নামক এক ব্যক্তি এই পুরো পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছেন, এটি যুক্তরাজ্যের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি সম্ভাব্য মোড় হতে পারে। তবে একই সঙ্গে তিনি মার্কিন সরকারের এই পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করে উল্লেখ করেছেন যে, এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করায় তিনি বেশ আনন্দিত হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

খবরটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
আইএইএর ৭০তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব
আন্তর্জাতিক

আইএইএর ৭০তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব

ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ৭০তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। সম্মেলনে বাংলাদেশ ২০২৬-২০৩২ মেয়াদের কান্ট্রি প্রোগ্রাম ফ্রেমওয়ার্ক (সিপিএফ) স্বাক্ষর করেছে।

১ মিনিট পড়া
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ডেলাওয়ারে প্রাথমিক ভোট
আন্তর্জাতিক

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ডেলাওয়ারে প্রাথমিক ভোট

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়্যার রাজ্যে আজ মঙ্গলবার প্রাথমিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ডেলাওয়ারে একটি বন্ধ প্রাথমিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, যেখানে শুধুমাত্র নিবন্ধিত ভোটাররাই ভোট দিতে পারেন।

১ মিনিট পড়া
তারেক রহমানকে দুটি পৃথক আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ভারত
আন্তর্জাতিক

তারেক রহমানকে দুটি পৃথক আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ভারত

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের জন্য দুটি পৃথক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একটি আমন্ত্রণ ছিল দ্বিপক্ষীয় সফরের এবং অন্যটি বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য। টাইমস অব ইন্ডিয়া এই খবর প্রকাশ করেছে।

১ মিনিট পড়া
চীন-উপসাগরীয় সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে
আন্তর্জাতিক

চীন-উপসাগরীয় সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে

চীন ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার মধ্যেই এই দুই অঞ্চলের পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ছে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER