যুক্তরাজ্যের কঠোর ভিসা নীতি: বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি স্থগিত
যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কঠোর ভিসা নীতি এবং নতুন সম্মতির ঝুঁকির কারণে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি এবং সিএএস ইস্যু করা সীমিত বা স্থগিত করেছে দেশটির একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়। ইউকেভিআই-এর নতুন বেসিক কমপ্লায়েন্স অ্যাসেসমেট কাঠামো অনুযায়ী ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং যুক্তরাজ্যের ভিসা ও অভিবাসন দপ্তরের (ইউকেভিআই) কঠোর শিক্ষার্থী ভিসা নীতির কারণে বাংলাদেশ থেকে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে বড় ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করেছে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়। সাম্প্রতিক সময়ে প্রণীত কঠোর নীতি এবং বাড়তি কমপ্লায়েন্স বা সম্মতির ঝুঁকির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
নতুন এই পরিস্থিতির মূল কারণ ইউকেভিআই-এর সংশোধিত বেসিক কমপ্লায়েন্স অ্যাসেসমেন্ট কাঠামো। এই নতুন কাঠামো অনুযায়ী, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্পন্সর লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয় যদি তাদের শিক্ষার্থী ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার ৫ শতাংশ বা তার বেশি হয়। অথচ পূর্বে এই অনুমোদিত হার ১০ শতাংশ পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল।
ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার ৫ শতাংশে নেমে আসায় স্পন্সর লাইসেন্স সুরক্ষার বিষয়টি এখন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। ফলে কোনো ধরনের ঝুঁকি এড়াতে দেশের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ থেকে শিক্ষার্থী নেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় একাধিক ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আবেদন গ্রহণ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে, সিএএস (কনফার্মেশন অব অ্যাকসেপ্টেন্স ফর স্টাডিজ) ইস্যু করা বন্ধ রেখেছে অথবা নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চল ও কোর্সের ওপর বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
এই বিধিনিষেধের আওতায় আসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকায় রয়েছে অ্যাংলিয়া রাসকিন ইউনিভার্সিটি, কিংস্টন ইউনিভার্সিটি, কিল ইউনিভার্সিটি, রেভেনসবর্ন ইউনিভার্সিটি লন্ডন, ডি মন্টফোর্ট ইউনিভার্সিটি, অক্সফোর্ড ব্রুকস ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব সান্ডারল্যান্ড এবং ইউনিভার্সিটি অব পোর্টসমাউথ।
এছাড়াও এই তালিকায় আরও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে কভেন্ট্রি ইউনিভার্সিটি, মিডলসেক্স ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব রোচ্যাম্পটন, ইউনিভার্সিটি অব সেন্ট্রাল ল্যাঙ্কাশায়ার, ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলস ট্রিনিটি সেন্ট ডেভিড, অনক্যাম্পাস সিইজি, কিউএ হায়ার এডুকেশন, ইউনিভার্সিটি অব আলস্টার, নর্থামব্রিয়া ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ওয়েলস, অ্যাবারিস্টউইথ ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব চেস্টার এবং ক্যান্টারবেরি ক্রাইস্ট চার্চ ইউনিভার্সিটি।
তালিকায় থাকা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে রেজেন্ট কলেজ লন্ডন, ইউনিভার্সিটি অব ব্রাইটন, অ্যাস্টন ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব হাল, লন্ডন সাউথ ব্যাংক ইউনিভার্সিটি, কার্ডিফ মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব বেডফোর্ডশায়ার, বার্মিংহাম সিটি ইউনিভার্সিটি, বুকিংহামশায়ার নিউ ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব ল, ইউনিভার্সিটি অব হার্টফোর্ডশায়ার, ইউনিভার্সিটি অব উলভারহ্যাম্পটন, ইউনিভার্সিটি অব ডার্বি এবং ইউনিভার্সিটি অব গ্রেটার ম্যানচেস্টার।








