যুক্তরাজ্যে এনএটিএসের ত্রুটি, ৬০০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্ব
যুক্তরাজ্যের এয়ার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ সেবা প্রদানকারী সংস্থা এনএটিএসের প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে। দেশটির বিভিন্ন প্রধান বিমানবন্দরে ৬০০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বিত হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

যুক্তরাজ্যের আকাশসীমায় বড় ধরনের প্রযুক্তিগত বিপত্তি দেখা দিয়েছে। দেশটির এয়ার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ সেবা প্রদানকারী সংস্থা এনএটিএসের (NATS) সিস্টেমে ত্রুটি দেখা দেওয়ার কারণে এই বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) এই প্রযুক্তিগত ত্রুটির ঘটনা ঘটে, যার ফলে পুরো দেশের বিমান চলাচলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
এই প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে যুক্তরাজ্যজুড়ে চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এনএটিএসের ত্রুটির কারণে দেশটিতে ইতিমধ্যেই ৬০০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর পাশাপাশি বহু ফ্লাইটের শিডিউল বিপর্যয় ঘটেছে এবং ব্যাপক বিলম্বের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।
বিশেষ করে যুক্তরাজ্যের ব্যস্ততম বিমানবন্দরগুলো এই ত্রুটির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে হিথ্রো, গ্যাটউইক, ম্যানচেস্টার ও স্ট্যানস্টেড বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ আকাশপথের কেন্দ্রগুলোতে ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বের ঘটনা ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হয়।
হঠাৎ করে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দরগুলোতে হাজার হাজার যাত্রী আটকা পড়েন। ফ্লাইটগুলোর সঠিক সময় ও শিডিউল নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, যা যাত্রীদের স্বাভাবিক যাতায়াতকে ব্যাহত করে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
এয়ার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ সেবা প্রদানকারী সংস্থা এনএটিএসের এই কারিগরি ত্রুটি বিমান চলাচলের নিরাপত্তার পাশাপাশি সার্বিক শিডিউল ব্যবস্থাপনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তবে এই আকস্মিক প্রযুক্তিগত গোলযোগের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানা যায়নি।
মঙ্গলবারের এই ঘটনার পর বিমান চলাচল সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ সংস্থা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মগুলোতেও যুক্তরাজে ফ্লাইট চলাচলের ক্ষেত্রে এই বড় ধরনের বিপর্যয়ের চিত্র ফুটে উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, দ্রুতই এই প্রযুক্তিগত ত্রুটি পুরোপুরি সমাধান করে বিমান চলাচল স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। তবে এর আগে হিথ্রো, গ্যাটউইক, ম্যানচেস্টার ও স্ট্যানস্টেড বিমানবন্দরের যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে এবং তাদের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।








