মোবাইল ফোন ও ব্রেন টিউমার ঝুঁকি নিয়ে যা বললেন ডা. সানি জৈন
মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং বাড়ির কাছে টাওয়ার থাকা নিয়ে মানুষের মনে নানা উদ্বেগ রয়েছে। ভারতের এই বিষয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণার ব্যাখ্যা দিয়েছেন ডা. সানি জৈন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অত্যন্ত অপরিহার্য একটি অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত নানা কাজে এই যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়। তবে এই প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের পাশাপাশি মানুষের মনে কিছু স্বাস্থ্যগত শঙ্কাও তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দীর্ঘক্ষণ মোবাইল ফোন ব্যবহার এবং বাড়ির কাছাকাছি মোবাইল টাওয়ার থাকা নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা ধরনের উদ্বেগ কাজ করে।
অনেকেই আশঙ্কা করেন যে, মোবাইল ফোন থেকে নির্গত তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় যে বিষয়টি নিয়ে মানুষের মধ্যে ভয় কাজ করে, তা হলো ব্রেন টিউমার হওয়ার ঝুঁকি। আধুনিক যুগে এই আশঙ্কা আরও বেশি জোরালো হয়েছে, কারণ যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে মোবাইল ফোনের ওপর মানুষের নির্ভরতা দিন দিন বেড়েই চলেছে।
এই সার্বিক পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মনে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি দূর করতে এগিয়ে এসেছেন বিশেষজ্ঞরা। এই বিষয়ে বিস্তারিত বৈজ্ঞানিক গবেষণার ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন ডা. সানি জৈন। তাঁর এই ব্যাখ্যায় মূলত মোবাইল ফোনের ব্যবহার এবং এর ফলে মস্তিষ্কে কোনো টিউমার বা জটিল রোগ সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে।
চ্যানেল ২৪-এর কাছে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন ডা. সানি জৈন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বৈজ্ঞানিক গবেষণার বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন যে, সাধারণ মানুষের মনে যে আতঙ্ক কাজ করে, তার বাস্তব ভিত্তি কতটুকু। বৈজ্ঞানিক তথ্যের আলোকে তিনি মানুষের দীর্ঘদিনের এই উদ্বেগের সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান করেন।
প্রতিদিনের জীবনে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা ছাড়া আধুনিক জীবনযাত্রা এখন প্রায় কল্পনাও করা যায় না। তাই এই যন্ত্রের সঠিক ব্যবহার এবং এর ক্ষতিকর দিক নিয়ে বৈজ্ঞানিক সত্যতা জানা অত্যন্ত জরুরি। ডা. সানি জৈনের এই ব্যাখ্যা সাধারণ মানুষকে এ বিষয়ে সঠিক ধারণা দিতে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ভারতের প্রেক্ষাপটে মোবাইল টাওয়ারের অবস্থান এবং এর আশপাশের বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়েও সমাজে নানা আলোচনা রয়েছে। ডা. সানি জৈনের এই বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এসব বিষয়ে চলমান জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটাতে সাহায্য করবে। গবেষণার ফলাফল এবং বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার মাধ্যমে তিনি বিষয়টি পরিষ্কার করার চেষ্টা করেছেন।








