মেট্রোরেলের ব্যয় বৃদ্ধি ও পরিকল্পনায় ন্যায্যতা নিয়ে আইপিডির সভা
মেট্রোরেলের ব্যয় বৃদ্ধি ও পরিকল্পনায় ন্যায্যতা নিয়ে ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভা করেছে ইনস্টিটিউট ফর প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইপিডি)। সভায় বক্তারা জানান, যেসব প্রকল্পের ব্যয় ৪০ থেকে ৪৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে থাকার কথা ছিল, সেগুলোর কোনো কোনোটি এখন প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা ব্যয়ে নেওয়া হচ্ছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ইনস্টিটিউট ফর প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইপিডি) উদ্যোগে 'মেট্রোরেলের ব্যয় বৃদ্ধি ও পরিকল্পনায় ন্যায্যতা: আইপিডির পর্যবেক্ষণ' শীর্ষক একটি ভার্চুয়াল আলোচনা সভা আজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এই ভার্চ্যুয়াল সভায় দেশের বর্তমান পরিবহন ও নগর পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় জানানো হয়, গত ১৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ঢাকার হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা, বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর এবং গাবতলী থেকে দাসেরকান্দি—এই তিন পথে মেট্রোরেল নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি ও নতুন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সভায় আইপিডির পক্ষ থেকে জানানো হয়, যেসব প্রকল্পের ব্যয় মূলত ৪০ থেকে ৪৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে থাকার কথা ছিল, সেগুলোর কোনো কোনোটি এখন প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা ব্যয়ে নেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধি দেশের অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে বলে উল্লেখ করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও তুলে ধরা হয় যে, বর্তমানে ঢাকার পরিবহন খাতে ২০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করা হচ্ছে। কিন্তু এই বিশাল বিনিয়োগের বড় অংশই মেট্রোকেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে, যা সামগ্রিক পরিবহন ব্যবস্থার সুষম উন্নয়নের অন্তরায় হতে পারে।
আলোচনায় জানানো হয়, উল্লেখিত তিন প্রকল্পের মোট ব্যয় বর্তমানে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে অধিকতর স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা প্রয়োজন বলে মত দেন বিশেষজ্ঞরা।
ভার্চ্যুয়াল এই সভায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ আইপিডির উপদেষ্টা ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন আদিল মুহাম্মদ খান, আরিফুল ইসলাম, মুনতাসির মামুন এবং ফরহাদুর রেজা।
উক্ত সভা থেকে মেট্রোরেল প্রকল্পে আন্তর্জাতিকভাবে উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র নিশ্চিত করার বিশেষ সুপারিশ করা হয়েছে। পরিকল্পনা প্রক্রিয়ায় ন্যায্যতা ফিরিয়ে আনতে এবং ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করতে এই ধরনের পদক্ষেপ জরুরি বলে মনে করেন আয়োজকরা।








