মুরাদনগর-হোমনা সেতু ও তিতাস নদীতে ভ্রমণপিপাসুদের ভিড়
বর্ষায় তিতাস নদীর রূপ উপভোগ করতে মুরাদনগর-হোমনা সেতু এলাকায় দর্শনার্থীদের ভিড় জমেছে। গত ১১ আগস্ট বিকেলে সেখানে নৌকা নিয়ে ঘুরতে আসেন অনেকে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

কুমিল্লার মুরাদনগর-হোমনা সেতু এলাকা ও তিতাস নদীতে ভ্রমণপিপাসুদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বর্ষাকালে এই এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন বহু মানুষ সেখানে সমবেত হন। বিশেষ করে বিকেলে এই নদীর তীর ও সেতু এলাকায় দর্শনার্থীদের আনাগোনা বহুগুণ বেড়ে যায়।
গত ১১ আগস্ট বিকেলে মুরাদনগর-হোমনা সেতু ও তিতাস নদীর তীরে দর্শনার্থীদের এমন সরব উপস্থিতি দেখা যায়। বর্ষার ভরা মৌসুমে চারপাশের পসরা সাজানো প্রকৃতির মাঝে সময় কাটাতে দূরদূরান্ত থেকে নানা বয়সী মানুষ সেখানে ছুটে আসেন।
এ সময় ভ্রমণপিপাসুদের মূল আকর্ষণ থাকে তিতাস নদীতে নৌকা ভ্রমণ। বর্ষার থৈ থৈ পানিতে নৌকা নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর আনন্দ উপভোগ করতে দর্শনার্থীরা ট্রলার ও ছোট নৌকায় চড়ে নদীবিহারে অংশ নেন। তিতাস নদীর বুক চিরে চলা এসব নৌকায় চড়ে তরুণ-তরুণী থেকে শুরু the করে সব বয়सी মানুষ আনন্দ উপভোগ করেন।
নদীর এই ভ্রমণ নিয়ে দর্শনার্থী মীর হোসেন তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, 'বর্ষার এই সময়টাতে তিতাস নদীতে পানি ভরপুর থাকে। নৌকা দিয়ে ঘুরতে অনেক ভালো লাগে।' তার এই বক্তব্যে বর্ষার মৌসুমে তিতাস নদীর নান্দনিক রূপ ও নৌকা ভ্রমণের আনন্দই ফুটে উঠেছে।
সাফি ও ফাহাদ রহমানসহ অন্যান্য দর্শনার্থীরাও এই এলাকায় সময় কাটাতে আসেন। ছুটির দিন কিংবা সাধারণ বিকেলে মুরাদনগর-হোমনা সেতু এলাকার পরিবেশ মুখরিত হয়ে ওঠে এসব ভ্রমণপিপাসুদের পদচারণায়।
স্থানীয়দের মতে, মুরাদনগর-হোমনা সেতু এবং এর আশপাশের তিতাস নদীর এই অংশটি বর্ষাকালে বিনোদনের একটি জনপ্রিয় স্থানে পরিণত হয়। প্রতিদিন বিকেল নামতেই সেতু ও নদীর দুই তীরে মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়, যা সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।








