মাদারীপুরের শিবচরে নদ থেকে এক বছরের শিশুর লাশ উদ্ধার
মাদারীপুরের শিবচরে মায়ের লাশ উদ্ধারের পাঁচ দিন পর আড়িয়াল খাঁ নদ থেকে তাঁর এক বছর বয়সী শিশুসন্তানের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় রাজৈর এলাকা থেকে ফারুক মোল্লা নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

মাদারীপুরের শিবচরে জঙ্গল থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধারের পাঁচ দিন পর আড়িয়াল খাঁ নদ থেকে তাঁর এক বছরের শিশুসন্তানের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংবাদ অনুযায়ী সোমবার মোজাম্মেল হকের পাঠানো তথ্যে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি সামনে এসেছে।
উদ্ধার করা শিশুটির বয়স ছিল এক বছর। এর আগে গত ১৯ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার একটি জঙ্গল থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল। পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নিহত ওই নারীর বাড়ি নাটোর জেলার লালপুর থানা এলাকায়। তবে তাঁর নাম বা বিস্তারিত পরিচয় সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে অন্য কোনো তথ্য জানা যায়নি।
মায়ের লাশ উদ্ধারের ঘটনার ঠিক পাঁচ দিন পর আড়িয়াল খাঁ নদ থেকে শিশুসন্তানের অর্ধগলিত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নদীর পানিতে ভাসমান অবস্থায় শিশুটির মরদেহ পাওয়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপরতা চালায়। এর অংশ হিসেবে মাদারীপুরের রাজৈর এলাকা থেকে ফারুক মোল্লা নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও র্যাব-৮। প্রাথমিক তদন্ত ও এই গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে ঘটনার রহস্য উদঘাটনে চেষ্টা চলছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার ফারুক মোল্লাকে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুলিশ ও র্যাব-৮ যৌথভাবে এই হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। নাটোর জেলার লালপুর থানা এলাকার ওই নারীর সঙ্গে ফারুক মোল্লার কী ধরনের সম্পর্ক ছিল বা কী কারণে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল, তা পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, শিবচর থানা ও নৌ–পুলিশ এই পুরো ঘটনার আইনগত প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্তের বিষয়ে কাজ করছে। এছাড়া কামাল হোসেন, আবির ও সাহাবুদ্দিন হাওলাদার এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন।
তিন বছর আগের কোনো ঘটনার সঙ্গে এর সংযোগ রয়েছে কি না কিংবা পারিবারিক কোনো বিরোধ থেকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। শিবচর থানা পুলিশ ও র্যাব-৮ যৌথভাবে ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং বাকি জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান পরিচালনা করছে।








