মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি কমানোর কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র
যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে কি না, তা নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধ শেষে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক উপস্থিতি কমানোর কথা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। ১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত খবরে জানা যায়, চলমান সংঘাতের অবসান ঘটার পর উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা ও সামরিক উপস্থিতি প্রত্যাহার করা হবে কি না, সে বিষয়ে বর্তমানে উচ্চপর্যায়ে পর্যালোচনা চলছে।
সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে সংঘটিত যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এই সামরিক ক্ষতি এবং সামগ্রিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ট্রাম্প প্রশাসন তাদের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল পুনর্মূল্যায়ন করছে।
মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমটির সূত্রে জানা গেছে, মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার-এর নীতি দপ্তর এই গুরুত্বপূর্ণ মূল্যায়নের প্রক্রিয়াটির নেতৃত্ব দিচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, চলমান এই সংঘাত ও উত্তেজনার সময় ইরান মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে বাহরাইন, কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো সরাসরি ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল।
পেন্টাগন, সিআইএ, সেন্টকমসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক কর্মকর্তা ও বিশ্লেষক ডেভিড পেট্রিয়াস, ফ্র্যাঙ্ক ম্যাকেঞ্জিও এবং ব্র্যাডলি কুপারের মতো সংশ্লিষ্টক্ষত্রগুলোর সঙ্গে সমন্বয় রেখেই এই নীতিগত পর্যালোচনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যুদ্ধের পরবর্তী পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন কৌশলগত অবস্থান ঠিক কেমন হবে এবং কীভাবে সেনা ও সামরিক সরঞ্জামের পুনর্বিন্যাস করা হবে, মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার-এর নীতি দপ্তরের এই মূল্যায়নের ওপর তা অনেকাংশেই নির্ভর করবে।








