ভোলার চরফ্যাশনে অবৈধ ভারতীয় ট্রলিংবোট ও জাল জব্দ
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার মায়া নদীতে অভিযান চালিয়ে একটি অবৈধ ভারতীয় ট্রলিংবোট ও ১১টি ট্রলিং জাল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড। তবে অভিযানের সময় জেলের পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় একটি অবৈধ ট্রলিংবোট ও ১১টি ট্রলিং জাল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড। গত ২৮ আগস্ট দিনগত রাত ১০টায় ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার মায়া নদীতে এই বিশেষ অভিযানটি পরিচালিত হয়। দেশের জলসীমায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ও মাছ শিকার রোধে কোস্টগার্ডের নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে বোটে থাকা জেলেরা দ্রুত পালিয়ে যায়। যে কারণে ওই অভিযানে কোনো জেলেকে আটক করা সম্ভব হয়নি। কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরবর্তীতে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার মাধ্যমে জব্দকৃত বোটটি ভারতীয় বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।
এ বিষয়ে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট লালমোহনের চরমানিকা এলাকার দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, বোটটি আটকের পর এর উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত অনুসন্ধান চালানো হয়। প্রাথমিক তদন্ত ও মৎস্য কর্মকর্তার মতামতের ভিত্তিতে এর ভারতীয় পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে।
এ ঘটনায় কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ বিষয়ে বলেন, পরবর্তীতে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার মাধ্যমে জব্দকৃত বোটটি ভারতীয় বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কতিপয় অসাধু বাংলাদেশি ব্যক্তি অবৈধভাবে বোটটি বাংলাদেশে নিয়ে এসে তা দিয়ে মাছ ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
অভিযানের সময়ের পরিস্থিতি বর্ণনা করে লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন আরও বলেন, অভিযান পরিচালনাকালে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে বোটে থাকা জেলেরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দকৃত ভারতীয় আর্টিসানাল ট্রলিং বোট ও ট্রলিং জালের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উদ্ধار করা ১টি ট্রলিংবোট এবং ১১টি ট্রলিং জাল বর্তমানে কোস্টগার্ডের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অসাধু ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।








