ভারী স্কুলব্যাগে ঝুঁকিতে শিশুদের স্বাস্থ্য ও মেরুদণ্ড
অতিরিক্ত ভারী স্কুলব্যাগের কারণে বাংলাদেশের শিশুদের মেরুদণ্ড ও স্বাস্থ্য মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছে। এ বিষয়ে ২০১৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ একটি রায় প্রদান করেন, যেখানে স্কুলব্যাগের নির্দিষ্ট ওজনসীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশে শিশুদের স্কুলব্যাগের অতিরিক্ত ওজনের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যঝুঁকির একটি বড় কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। ভারী স্কুলব্যাগের কারণে দেশের শিশুদের মেরুদণ্ড ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
শিশুদের এই স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা ও বিশেষজ্ঞ মতামত দিয়ে থাকে। আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিকস এবং বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্কুলব্যাগের ওজন নিয়ে বিভিন্ন সময় দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করেছে।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, শিশুদের স্কুলব্যাগের ওজন ১০ থেকে ১৫ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, ছোট শিশুদের বহন করা ব্যাগের ওজন ২০ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে, যা তাদের শারীরিক গঠনের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
সাধারণত শিশুদের ব্যবহৃত স্কুলব্যাগের ওজন ২ থেকে ৩ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। অথচ বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি শিশুর ব্যাগের ওজন কখনোই তার শরীরের মোট ওজনের ১০ শতাংশের বেশি হওয়া উচিত নয়।
শিশুদের কাঁধে এই অতিরিক্ত ওজনের বোঝা নামিয়ে আনতে আইনি পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে শিশুদের স্কুলব্যাগের ওজন নিয়ে ২০১৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছিলেন।
উক্ত রায়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল যে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের স্কুলব্যাগের ওজন কোনোভাবেই শিশুর শরীরের ওজনের ১০ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিশুদের শারীরিক বিকৃতি ও স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি কমানো সম্ভব।








