বিশ্ববিদ্যালয় যাতায়াত ও বড় বোন তরুর সঙ্গে এক অদ্ভুত স্মৃতি
বড় বোন তরুর এক বছর পর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন বর্ণনাকারী। শুরুতে দুজনে রিকশায় একসঙ্গে যাতায়াত করলেও পরে বাবার কাছে ক্লাস ১০টায় শুরু হওয়ার কথা বলে সেই যাতায়াত বন্ধ করা হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

জীবনের প্রতিটি ধাপে বড় ভাইবোনদের পথ ধরে চলা এক চিরন্তন দৃশ্য। শিক্ষাজীবনের এমন এক অধ্যায়ে বড় বোন তরুর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় যাতায়াতের স্মৃতি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। কোনো নির্দিষ্ট তারিখ বা স্থান উল্লেখ না থাকলেও এই যাতায়াত কেন্দ্র করে পরিবারের ভেতরের একটি ছোট্র সিদ্ধান্ত বড় একটি পরিবর্তনের সূচনা করেছিল।
বাস্তবতার খাতিরে ভাইবোনের একসঙ্গে পথচলা সবসময় একভাবে টেকে না। বর্ণনাকারী যখন উচ্চশিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখলেন, তখন সময়ের হিসেবে একটি ব্যবধান ছিল। জানা যায় যে, বর্ণনাকারী তার বড় বোন তরুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ঠিক এক বছর পর নিজে সেখানে পড়াশোনা শুরু করেছিলেন।
শিক্ষাজীবনের সেই শুরুর দিনগুলোতে ভাইবোনের যাতায়াতের মাধ্যমটি ছিল বেশ ঐতিহ্যবাহী ও সাবলীল। তথ্যে প্রকাশ পায় যে, বর্ণনাকারী এবং তরু এই বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শুরুর প্রাথমিক দিনগুলোতে প্রতিদিন একসঙ্গে রিকশায় চড়ে যাতায়াত করতেন। রিকশার সেই গতি আর পথচলা তাদের পারস্পরিক সম্পর্কেরও এক সুন্দর অংশ ছিল।
তবে এই যৌথ যাতায়াত সবসময় স্থায়ী হয়নি এবং এর পেছনে একটি কৌশলগত কারণও কাজ করেছিল। বর্ণনাকারী একপর্যায়ে নিজের যাতায়াতের এই নিয়মিত রুটিনটি বদলানোর সিদ্ধান্ত নেন। এই পরিবর্তনের নেপথ্যে মূল ভূমিকা পালন করেছিল তাদের পরিবার ও সময়ের হিসাব।
পরিস্থিতি যখন বদলাতে শুরু করে, তখন বর্ণনাকারী সরাসরি বাবার শরণাপন্ন হন। তিনি বাবার কাছে গিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে জানান যে তার ক্লাস সকাল ১০টায় শুরু হয়। এই তথ্যের ভিত্তিতেই বড় বোন তরুর সঙ্গে একসঙ্গে রিকশায় যাতায়াত করার চিরচেনা অভ্যাসটি তিনি চিরতরে বন্ধ করে দেন।








