বাসাবো বিশ্বরোড থেকে নন্দীপাড়া ব্রিজ সড়ক পরিদর্শন
রাজধানীর বাসাবো বিশ্বরোড থেকে নন্দীপাড়া ব্রিজ পর্যন্ত সড়কের সংস্কার কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। এ সময় তিনি কাজের মান ভালো করা এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা শেষ করার নির্দেশ দেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর বাসাবো বিশ্বরোড থেকে নন্দীপাড়া ব্রিজ পর্যন্ত চলমান সড়কের সংস্কার কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট ঢাকা এলাকায় এই পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সরকারের নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উচ্চপর্যায়ের উপস্থিতিতে এই সড়ক সংস্কার কাজ তদারকি করা হয়।
পরিদর্শনকালে সড়কটির নানা প্রযুক্তিগত ও কাঠامোগত দিক তুলে ধরা হয়। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ফুটপাতসহ এই সড়কটির মোট প্রস্থ প্রায় ৩০ ফুট। এর মধ্যে দুই পাশে ফুটপাতের জন্য রাখা হয়েছে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় ফুট করে জায়গা। আর মূল সড়কের চলাচলের জন্য বরাদ্দ রয়েছে প্রায় ২০ ফুট জায়গা।
সংস্কার কাজের অগ্রগতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের সময়সীমা সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের নির্ধারিত কাজের সময় ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। তবে ঠিকাদার মহোদয় কাজের সময় বাড়ানোর জন্য জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করেছেন এবং এর মধ্যে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই যান চলাচলের জন্য সড়কটি সম্পূর্ণ খুলে দেবেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে সড়ক সংস্কারের ক্ষেত্রে কিছু বাস্তব ও ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার কথাও উঠে এসেছে। সড়কের নিচে ওয়াসার লাইন এবং ডিপিডিসির একাধিক লাইন থাকায় প্রকৌশলী ও শ্রমিকদের পক্ষে নির্দিষ্ট গভীরতার নিচে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বিভিন্ন সেবামূলক সংস্থার এমন ভূগর্ভস্থ লাইনের উপস্থিতির কারণে খননকাজে নানা ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে।
সড়কের এই জটিল পরিস্থিতি ও কাজের ধীরগতি বা সময়সীমা নিয়ে কঠোর বার্তা দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। কাজের মান সন্তোষজনক রাখার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে তিনি বলেন, 'আমার কথা হচ্ছে, কাজের মান যাতে ভালো হয় এবং কাজের জন্য যে সময়টুকু দেওয়া হয়েছে, সেই সময়ের মধ্যেই যেন ভালোভাবে কাজটি শেষ করা হয়।'
প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব আরও সতর্ক করে বলেন যে, কোনোভাবেই যেন তাড়াহুড়ো করে নিম্নমানের কাজ করা না হয়। তাড়াহুড়া করে কাজ করতে গিয়ে যেন সামান্য সময়ের ব্যবধানে দুই দিন পর সড়কটি আবার নষ্ট হয়ে না যায়, সংশ্লিষ্টদের সেই বিষয়টি নিশ্চিত করার কঠোর নির্দেশ দেন তিনি।
উল্লেখ্য, এই সড়ক সংস্কার ও পরিদর্শনের পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ছাড়াও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসা এবং ডিপিডিসি ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত রয়েছে। রাজধানীর এই গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক করতে এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বয়ে দ্রুত ও টেকসই কাজ সম্পন্ন করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।








