বার্লিনের মিউজিয়াম আইল্যান্ড ও মিটে এলাকা ভ্রমণ
জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে জার্মানির বার্লিন সফর করেন লেখক। এ সময় তাপমাত্রা কমে ২০ থেকে ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামে এবং স্প্রি নদীর মাঝ-দ্বীপের বিখ্যাত মিউজিয়াম আইল্যান্ড ও মিটে এলাকা ঘুরে দেখা হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

জার্মানির রাজধানী বার্লিনে এক আকর্ষণীয় ভ্রমণ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন লেখক। চলতি বছরের জুনের দিকে বার্লিনের তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালেও, জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে আবহাওয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। এ সময় তাপমাত্রা নাটকীয়ভাবে কমে ২০ থেকে ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে, যা ভ্রমণের জন্য বেশ অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছিল।
জুলাই মাসের এই প্রথম সপ্তাহে বার্লিন সফরকালে লেখক শহরের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখেন। এই সফরের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল বার্লিনের বিখ্যাত মিউজিয়াম আইল্যান্ড বা জাদুঘর দ্বীপ পরিদর্শন। জার্মানির এই গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানটি বার্লিনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত স্প্রি নদীর মাঝখানে অবস্থিত একটি দ্বীপে গড়ে উঠেছে।
মিউজিয়াম আইল্যান্ড এলাকায় মোট পাঁচটি বিশ্বমানের জাদুঘর রয়েছে। এই পাঁচটির মধ্যে গুগল, অল্ট ন্যাশনাল মিউজিয়াম এবং নিউ ন্যাশনাল মিউজিয়াম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এই জাদুঘরগুলো শিল্প ও ইতিহাসের অমূল্য সংগ্রহ দিয়ে সমৃদ্ধ, যা দেখতে সারা বিশ্ব থেকে পর্যটকরা এই দ্বীপে ভিড় জমান।
লেখক যে হোটেলটিতে অবস্থান করছিলেন, সেখান থেকে হেঁটে মিউজিয়াম আইল্যান্ডে পৌঁছাতে ত্রিশ মিনিট সময় লাগত। হোটেল থেকে এই পথ হাঁটার সময় পুরো মিটে এলাকা ঘুরে দেখার সুযোগ হয়। বার্লিনের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত মিটে এলাকার চারপাশ পায়ে হেঁটে ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতাটি ছিল বেশ রোমাঞ্চকর।
মিউজিয়াম আইল্যান্ড ও মিটে এলাকায় ভ্রমণের সময়কার আবহাওয়াও ছিল বেশ মনোরম। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহের এই সফরে আকাশে মেঘের আনাগোনা এবং ঠান্ডা বাতাসের gusts বা ঝোোলো হাওয়া বইছিল। তবে আনন্দের বিষয় হলো, কোনো ধরনের বৃষ্টিপাত ছাড়াই এই মনোরম ও মেঘলা আবহাওয়ার মধ্যেই পুরো ভ্রমণ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।








