বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে ৩৩ হাজার ভোল্টেজের টাওয়ার ঝুঁকিতে
বরিশালের বানারীপাড়ার কাজলাহার গ্রামে সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে ৩৩ হাজার ভোল্টেজের একটি বৈদ্যুতিক টাওয়ার বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এতে পাঁচটি ইউনিয়নের বিদ্যুৎ সংযোগ ও স্থানীয় জনজীবন চরম ঝুঁকিতে পড়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাজলাহার গ্রামে সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে ৩৩ হাজার ভোল্টেজের একটি বৈদ্যুতিক টাওয়ার বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। গতকাল রোববার এই ভাঙনের মুখে পড়া এলাকাটি পরিদর্শন করা হয়।
জানা গেছে, এই গুরুত্বপূর্ণ টাওয়ারটি সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম পারের পাঁচটি ইউনিয়নকে উপজেলা সদরের বিদ্যুৎ সংযোগের সঙ্গে যুক্ত করেছে। টাওয়ারটির উচ্চता ৩২০ মিটার এবং এর মাধ্যমে ত্রিশ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ সুবিধা পান। এছাড়া এই এলাকার লক্ষাধিক বাসিন্দা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল।
বর্তমানে ভাঙন কবলিত নদী ও বৈদ্যুতিক টাওয়ারটির মাঝে অত্যন্ত অল্প দূরত্ব রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিনের অব্যাহত ভাঙনে বৈদ্যুতিক টাওয়ার ও নদীর দূরত্ব এখন মাত্র কয়েক গজের মধ্যে নেমে এসেছে।
সমকাল পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, এই ভাঙন ঝুঁকিতে শুধু বৈদ্যুতিক টাওয়ারটিই নয়, বরং 'শুভ ও কাজী ব্রিকস' নামের দুটি ইটভাটাও চরম ঝুঁকির মুখে রয়েছে। টাওয়ারটি নদীতে ধসে পড়লে স্থানীয়দের দৈনন্দিন জীবনসহ ব্যবসা-বাণিজ্য এবং শিক্ষা কার্যক্রমে মারাত্মক বিপর্যয় ঘটবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পরিস্থিতي সরেজমিন পরিদর্শনের জন্য বরিশাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২'র বানারীপাড়া সাব জোনাল অফিসের এজিএম মো. আল-আমিন ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি ভাঙন কবলিত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেন।
এদিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু এই সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। তিনি টাওয়ারটি রক্ষায় জিও ব্যাগ ফেলাসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন এবং এই বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলেছেন। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।








