বাদামতলীতে অবৈধ পার্কিং ও দোকানপাট উচ্ছেদের নির্দেশ ডিএসসিসি প্রশাসকের
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বাদামতলী এলাকার অবৈধ পার্কিং ও দোকানপাট উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে বাবুবাজার ব্রিজের নিচের কার পার্কিং কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম গত ২৫ আগস্ট বাদামতলী মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় অবৈধ পার্কিং ও অবৈধ দোকানপাট দ্রুত উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কঠোর নির্দেশ প্রদান করেছেন। দীর্ঘ দিন ধরে চলা এই জনদুর্ভোগ নিরসনে ডিএসসিসির এই পদক্ষেপ অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এর আগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান বাদামতলী এলাকার তীব্র যানজট ও অবৈধ স্থাপনাজনিত সমস্যা নিরসনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের জোরালো সহায়তা কামনা করেছিলেন। তিনি এই বিষয়ে ডিএসসিসির কাছে আনুষ্ঠানিক সহযোগিতা চান।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান ডিএসসিসি প্রশাসকের এই পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, সরকারি কোনো দপ্তর থেকে এমন দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত পাওয়া সত্যিই প্রেরণাদায়ক। ডিএসসিসি প্রশাসকের এই দূরদর্শী সিদ্ধান্তের ফলে আমরা দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে পারব এবং বাদামতলী এলাকার দীর্ঘদিনের যানজট নিরসন করা সম্ভব হবে।
এদিকে বাদামতলী মার্কেট ও বাবুবাজার ব্রিজ এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে। জানা গেছে, সম্প্রতি বাবুবাজার ব্রিজ এলাকায় সিটি কর্পোরেশনের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজির সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, যা কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে।
এই প্রেক্ষাপটে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ডিএসসিসির আওতাধীন ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুবাজার ব্রিজের নিচে নবনির্মিত কার পার্কিংয়ের 'এ' থেকে 'ডি' পর্যন্ত ৪টি ব্লকের মোট ২৮,০৫১.১২ বর্গফুট আয়তনের কার পার্কিংয়ের সব কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং সিটি কর্পোরেশনের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে এই ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম এই বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেছেন, সিটি কর্পোরেশন জনগণের সেবার জন্য। সুতরাং নাগরিকদের ভোগান্তি সৃষ্টি হয় বা ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়, এমন কোনো কাজ সিটি কর্পোরেশন নিজে করবে না এবং অন্য কাউকেও করতে দেওয়া হবে না।








