বাণিজ্যভিত্তিক অর্থ পাচার রোধে পিপিপি মডেলে কমিটি হচ্ছে
বাণিজ্যভিত্তিক অর্থ পাচার রোধে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি মডেলে একটি আন্তঃসংস্থা স্টিयरিং কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। রোববার সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি অংশীজনদের নিয়ে আয়োজিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাণিজ্যভিত্তিক অর্থ পাচার রোধে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি মডেলে একটি আন্তঃসংস্থা স্টিয়ারিং কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের আর্থিক খাতের এই গুরুত্বপূর্ণ অপরাধ দমন ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
এই সংক্রান্ত কার্যক্রম এগিয়ে নিতে গত রোববার বিএফআইইউর উদ্যোগে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। দেশের অর্থনীতিতে বাণিজ্যভিত্তিক অর্থ পাচার একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দেওয়ায় এই সভা আহ্বান করা হয়েছিল।
আয়োজিত ওই সভায় বাণিজ্যভিত্তিক অর্থ পাচারের বিভিন্ন ঝুঁকি, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জসমূহ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় ও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় দেশের আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল বা সিআইসি এবং কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত পরিদপ্তর বা সিআইআইডির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাস্টম হাউসের প্রতিনিধিরাও সভায় অংশ নেন। এর আওতায় ঢাকা কাস্টম হাউস, বেনাপোল কাস্টম হাউস, আইসিডি কমলাপুর এবং মোংলা কাস্টম হাউসের কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত থেকে তাদের মতামত তুলে ধরেন।
আইন প্রয়োগকারী ও তদন্তকারী সংস্থার মধ্যে বাংলাদেশ পুলিশ, অপরাধ তদন্ত বিভাগ বা সিআইডি এবং দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক এই বৈঠকে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়। সরকারি খাতের পাশাপাশি দেশের ১৫টি তফশিলভুক্ত ব্যাংকের প্রতিনিধিরাও এই উচ্চপর্যায়ের সভায় অংশ নেন।
সব পক্ষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই সভার পরই পিপিপি বা পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের আদলে একটি আন্তঃসংস্থা স্টিয়ারিং কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়, যা আগামী দিনে বাণিজ্যভিত্তিক অর্থ পাচার রোধে যৌথভাবে কাজ করবে।








