ইসলামী ব্যাংক থেকে ১৪১ কোটি টাকা আত্মসাতে মামলা অনুমোদন
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে ১৪১ কোটি ২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার স্ত্রীসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা অনুমোদন করেছে দুদক। সোমবার (২৫ আগস্ট) ঢাকা থেকে এই মামলাগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে ১৪১ কোটি ২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং বিদেশে পাচারের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার স্ত্রীসহ মোট ২৯ জনের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা অনুমোদন করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এই মামলার অনুমোদন দিয়েছে।
সোমবার (২৫ আগস্ট) রাজধানী ঢাকার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এই তিনটি মামলা আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। ব্যাংকটির জুবলী রোড শাখা থেকে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
অনুমোদিত এই তিনটি মামলায় আসামি করা হয়েছে ২৯ জনকে। আসামিদের তালিকায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এবং তার স্ত্রী ছাড়াও রুকমীলা জামান, বশির আহমেদ, আনিসুজ্জামান চৌধুরী ওরফে রনি, বজল আহমেদ বাবুল, এম এ সবুর, হাজী ইউনুছ আহমদ, নুরুল ইসলাম চৌধুরী, আসিফুজ্জামান চৌধুরী ও রোকসানা জামান চৌধুরীর নাম রয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), ইমিনেন্ট ট্রেডার্স, ভিশন ট্রেডিং, রিলায়েবল ট্রেডিং, প্রোগ্রেসিভ ট্রেডিং, ক্রিসেন্ট ট্রেডার্স, মডেল ট্রেডিং, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবিএল), থার্মেক্স নিট ইয়ার্ন লিমিটেড, এইচ এম শিপ ব্রেকিং ইন্ডাস্ট্রিজ, ওয়েল মার্ট লিমিটেড, সাইফ পাওয়াটেক, ই-ইঞ্জিনিয়ারিং পিএলসি এবং আইকনএক্স সার্ভিস লিমিটেড।
অনুসন্ধানে ২৭টি ডিলের মাধ্যমে বিভিন্ন অংকের টাকা লেনদেন ও আত্মসাতের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৪১ কোটি ২০ লাখ টাকা, ২০ কোটি টাকা, ২৫ কোটি টাকা, ১৫ কোটি টাকা, ২৩ কোটি টাকা, ২৫ কোটি টাকা, ২১ কোটি টাকা, ১২৯ কোটি টাকা, ৫২ কোটি টাকা, ৫৫ কোটি টাকা, ৫ কোটি টাকা, ৪১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, ৬০ কোটি টাকা, ২১৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, ৩১ কোটি ৬৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা, ৫৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা এবং ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকার আর্থিক লেনদেন ও সংশ্লিষ্ট বিষয়।
দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এই মামলাগুলোর অনুমোদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে অর্থ বের করে বিদেশে পাচারের এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।








