মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
BDRevise24 — Trusted & Targeted News

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

বাংলাদেশে সরকারি পেনশন বৃদ্ধির প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত

বাংলাদেশে সরকারি পেনশন বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। কম পেনশনভোগীদের জন্য এই বৃদ্ধির হার বেশি এবং বেশি পেনশনভোগীদের জন্য তুলনামূলক কম নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · আপডেট: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ১০:০১· মিনিট পড়া

বাংলাদেশে সরকারি পেনশন বৃদ্ধির প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত
ছবি: ইত্তেফাক

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য একটি বড় খবর এসেছে। সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় সরকারি পেনশন বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়েছে। সরকারের অর্থ বিভাগের তত্ত্বাবধানে এই নীতিগত ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা দেশের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত নতুন কাঠামো অনুযায়ী, পেনশনভোগীদের নিট পেনশনের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে সুনির্দিষ্ট পাঁচটি স্তরে এই বৃদ্ধির হার নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো—যাঁরা তুলনামূলক কম পরিমাণ পেনশন পান, তাঁদের জন্য বৃদ্ধির হার বেশি রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, যাঁদের পেনশন বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার কিছুটা কম, তবে সব স্তরের জন্যই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পেনশন বাড়ানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

নির্ধਾਰित পাঁচটি স্তরের প্রথম স্তরে রাখা হয়েছে সর্বনিম্ন আয়ের pensioner-দের। নিয়ম অনুযায়ী, যেসব পেনশনভোগী ৯ হাজার টাকা বা তার কম পেনশন পান, তাঁদের ক্ষেত্রে পেনশন একলাফে ১০০ শতাংশ বা দ্বিগুণ বাড়বে। এটি এই নীতিমালার সবচেয়ে বড় এবং জনকল্যাণমুখী একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা সমাজে কম আয়ের অবসরপ্রাপ্তদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে সাহায্য করবে।

দ্বিতীয় স্তরে ৯ হাজার ১ টাকা থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশন পান এমন ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এই স্তরের পেনশনভোগীদের জন্য পেনশন বৃদ্ধির হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৫ শতাংশ। তৃতীয় স্তরে ২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনধারীদের জন্য বৃদ্ধির হার রাখা হয়েছে ৬৫ শতাংশ। ক্রমান্বয়ে উচ্চ আয়ের দিকে যেতে যেতে এই হারটি সামঞ্জস্য করা হয়েছে।

চতুর্থ স্তরে ৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের পেনশন ৬০ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর পঞ্চম ও সর্বোচ্চ স্তরে রাখা হয়েছে সেইসব ব্যক্তিদের, যাঁদের নিট পেনশন ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি। এই সর্বোচ্চ আয়ের পেনশনধারীদের জন্য তুলনামূলক কম হলেও ৫৫ শতাংশ হারে পেনশন বৃদ্ধির হার নির্ধারণ করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে, অর্থ বিভাগের এই প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হওয়ার মধ্য দিয়ে দেশের বিপুল সংখ্যক অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে। কম পেনশনভোগীদের জন্য শতভাগ বৃদ্ধি এবং অন্যান্য স্তরে ক্রমানুসারে ৭৫, ৬৫, ৬০ ও ৫৫ শতাংশ হারে পেনশন বৃদ্ধির এই নীতিমালা দেশের সার্বিক আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও ইতিবাচক একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

খবরটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে সংযোগ সড়কহীন সেতু ২৮ বছর ধরে অকার্যকর
বাংলাদেশ

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে সংযোগ সড়কহীন সেতু ২৮ বছর ধরে অকার্যকর

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল গ্রামে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে নির্মিত প্রায় ৬০ ফুট দীর্ঘ একটি সেতু সংযোগ সড়কের অভাবে ২৮ বছর ধরে কোনো কাজেই আসছে না। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

১ মিনিট পড়া
সুনামগঞ্জে যাদুকাটা নদীর সেতু নির্মাণে দীর্ঘসূত্রিতা
বাংলাদেশ

সুনামগঞ্জে যাদুকাটা নদীর সেতু নির্মাণে দীর্ঘসূত্রিতা

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে যাদুকাটা নদীর ওপর শাহ আরেফিন-অদ্বৈত প্রভু মৈত্রী সেতু নির্মাণের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি। আট বছর পেরিয়ে গেলেও এই গুরুত্বপূর্ণ সেতুর নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

১ মিনিট পড়া
১৫ বছর পর ভারত থেকে নিজ পরিবারে ফিরছেন বাংলাদেশি নারী আনজু
বাংলাদেশ

১৫ বছর পর ভারত থেকে নিজ পরিবারে ফিরছেন বাংলাদেশি নারী আনজু

দীর্ঘ ১৫ বছর পর আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বেনাপোল আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে নিজের পরিবারে ফিরে আসছেন আনজু। মানসিক অসুস্থতার কারণে নিখোঁজ হয়ে তিনি ভারতে চলে গিয়েছিলেন এবং কলকাতার একটি আশ্রয়কেন্দ্রে ছিলেন।

১ মিনিট পড়া
উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর নির্দেশ
বাংলাদেশ

উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর নির্দেশ

দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বায়োমেট্রিক ডিজিটাল হাজিরা ডিভাইস স্থাপন এবং নিয়মিত ব্যবহার নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER