বাংলাদেশে এফওপিএল ও অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে কর্মশালা
রাজধানীর বিআইপি কনফারেন্স রুমে ২৪ ও ২৫ আগস্ট দুই দিনব্যাপী সাংবাদিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রজ্ঞা ও জিএইচএআইয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মশালায় প্রিন্ট, টেলিভিশন ও অনলাইনের ২৬ জন সাংবাদিক অংশ নেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর বিআইপি কনফারেন্স রুমে ২৪ ও ২৫ আগস্ট দুই দিনব্যাপী 'বাংলাদেশে ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং (এফওপিএল): প্রয়োজনীয়তা, অগ্রগতি ও করণীয়' শীর্ষক এক সাংবাদিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) ও গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর তথা জিএইচএআইয়ের সহযোগিতায় এই কর্মশালাটি সম্পন্ন হয়।
উক্ত কর্মশালায় প্রিন্ট, টেলিভিশন ও অনলাইনের বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে ২৬ জন সাংবাদিক অংশ নেন। কর্মশালায় উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিশেষজ্ঞদের মধ্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব, আবু আহমেদ শামীম, মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস, জহিরুল আলম, মিজান চৌধুরী, এবিএম জুবায়ের, হাসান শাহরিয়ার ও শবনম মোস্তফা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া কর্মশালায় সমকাল, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ, চ্যানেল ২৪ এবং অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স তথা আত্মার প্রতিনিধিরা যুক্ত ছিলেন।
কর্মশালায় জানানো হয় যে, দেশে ৭১ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয় অসংক্রামক রোগে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় খাদ্যদ্রব্যের প্যাকেজিং ও লেবেলিংয়ের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে এফওপিএল চালুর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের আবু আহমেদ শামীম বলেন, "অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে এফওপিএল একটি বিজ্ঞানসম্মত উপায়। এটি ভোক্তাকে সহজেই অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবারের স্বাস্থ্যঝুঁকি বুঝতে সাহায্য করবে।"
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস বলেন, "অসংক্রামক রোগে মৃত্যু এক-তৃতীয়াংশ কমিয়ে আনা সংক্রান্ত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এফওপিএল প্রবিধানমালা দ্রুত চূড়ান্তকরণ ও বাস্তবায়ন জরুরি।"
গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রসঙ্গে চ্যানেল ২৪-এর জহিরুল আলম বলেন, "অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় এফওপিএলের কার্যকারিতা তুলে ধরে গণমাধ্যমে নিয়মিত আলোচনা ও বিশ্লেষণ খসড়া প্রবিধানমালা চূড়ান্তকরণের পথ সুগম করবে।"
কর্মশালায় এফওপিএল প্রবিধানমালার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব জানান, "খসড়া প্রবিধানমালাটি বর্তমানে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। সকল প্রক্রিয়া শেষে এটি দ্রুতই চূড়ান্ত হবে বলে আমরা আশাবাদী।"








