বাংলাদেশ পুলিশের ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও রাজনৈতিক পক্ষপাত নিয়ে মত
বাংলাদেশ পুলিশের ভিড় নিয়ন্ত্রণ কৌশল এবং রাজনৈতিক পক্ষপাত নিয়ে সম্প্রতি একটি মতামত প্রকাশিত হয়েছে। এতে বিগত সরকারের আমলের বিভিন্ন অসঙ্গতি ও বলপ্রয়োগের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনী নিয়ে জনমনে ও বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা রয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং জনতা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মত প্রকাশিত হয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর ভিড় নিয়ন্ত্রণ কৌশল এবং রাজনৈতিক পক্ষপাত নিয়ে একটি মতামত সামনে এসেছে। এই মতামতে দেশের পুলিশি ব্যবস্থার ঐতিহাসিক ও বর্তমান বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে।
প্রকাশিত তথ অনুযায়ী, বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনী ভিড় নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে উত্তেজন কমানোর বা ডি-এস্কেলেশন লেডার অনুসরণ করার পরিবর্তে ঐতিহ্যগতভাবে লাঠিচার্জ এবং তাৎক্ষণিক বলপ্রয়োগের পদ্ধতি ব্যবহার করে আসছে। দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা এই চর্চার কারণে সাধারণ মানুষের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘাতে প্রায়ই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় বলে মতামতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিভিন্ন দিকও এতে স্থান পেয়েছে। ওই সময় ক্ষমতাসীন দলের অনুগত ক্যাডাররা বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়নের সময় পুলিশের লাইনের পাশেই সমানভাবে তৎপরতা চালিয়েছিল। দলীয় ক্যাডার ও পুলিশের এই যৌথ ভূমিকা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিল বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করেন।
মত-পার্থক্যের এই বিষয়গুলোতে আরও বলা হয়েছে যে, পুলিশ বাহিনী প্রায়শই নির্দিষ্ট নিয়মকানুনগুলো অমান্য করে চলেছে। এর মধ্যে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ থেকে বিরত থাকার নিয়ম এবং আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার মতো গুরুত্বপূর্ণ আইনি বাধ্যবাধকতাগুলো লঙ্ঘন করার অভিযোগ রয়েছে।
ডেইলি স্টার-এর এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজি অহনাফ তাহমিদ ও মেহেদী হাসান সংশ্লিষ্ট আলোচনায় অংশ নেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে পুলিশি ব্যবস্থার সংস্কার এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ও এর সামগ্রিক রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে আগস্ট ১৯, ২০২৬ তারিখে এই মতামত প্রকাশিত হয়। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সম্পূর্ণ পেশাদার ও জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে বিগত দিনের এই ত্রুটিগুলো দূর করা অত্যন্ত জরুরি বলে বিশ্লেષকরা মত প্রকাশ করেছেন।








