পার্বত্য চট্টগ্রামে গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ওয়েব ডেভেলপমেন্ট প্রশিক্ষণ সমাপনী
রাঙামাটির মাইনি মিলনায়তনে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ করা হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে রাঙামাটির মাইনি মিলনায়তনে এক প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা।
অনুষ্ঠানে তিন পার্বত্য জেলার ২০০ প্রশিক্ষণার্থীর হাতে বিভিন্ন বিষয়ের সনদ তুলে দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণার্থীদের গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও অডিও-ভিডিও এডিটিংসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। সনদ বিতরণের পাশাপাশি নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, 'শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন দিয়ে একটি জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়।' তিনি তার বক্তব্যে আরও বলেন, 'রংধনুর প্রতিটি রং আলাদা আলাদাভাবে সুন্দর; কিন্তু যখন এই সাতটি রঙের সংমিশ্রণ হয়, তখন অপূর্ব সুন্দর রংধনু তৈরি হয়। ঠিক তেমনি পার্বত্য চট্টগ্রামে যতগুলো সম্প্রদায় বসবাস করছে, তারা যেন সবাই একত্রিত হয়ে রংধনু জাতি গঠনের পাশাপাশি সবাই মিলে এই পার্বত্যঞ্চলকে সমৃদ্ধ করবে।'
উক্ত অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। যাদের মধ্যে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, অনুপ কুমার চাকমা ছাড়াও শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, মো. আব্দুর রকিব, সুমন বড়ুয়া এবং জাহিদ ইকবাল উপস্থিত ছিলেন।
প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণের মাধ্যমে তিন পার্বত্য জেলার ২০০ যুবকের দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমের এই পর্বের সফল সমাপ্তি ঘটে। পাহাড়ি অঞ্চলের তরুণ সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এই উদ্যোগ গ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে অতিথিরা প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন এবং নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী হস্তান্তর করেন। এই সামগ্রী বিতরণের মধ্য দিয়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়।








