নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনের উদ্বোধন, মোদির ১০ প্রস্তাবের আহ্বান
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে ব্রিকস সম্মেলন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ সময় তিনি বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা সংস্কারে ১০টি প্রস্তাব তৈরির আহ্বান জানান এবং গ্লোবাল সাউথকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সামনের সারিতে আনার ওপর জোর দেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির বিখ্যাত ভারত মণ্ডপমে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিকস সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর বক্তব্যের মধ্য দিয়েই বিশ্বমঞ্চের এই বড় আসরের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থা সংস্কারে জোরালো ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বর্তমান বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থায় কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে ১০টি প্রস্তাব তৈরির আহ্বান জানান। সমসাময়িক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই প্রস্তাবগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে গ্লোবাল সাউথের অবস্থান নিয়ে জোরালো মন্তব্য করেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, গ্লোবাল সাউথ বিশ্বের সংকটের একেবারে সামনে থাকলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে পেছনের সারিতে রয়েছে। এই সুবিধার পিরামিডকে এমন একটি অংশীদারত্বের প্ল্যাটফর্মে রূপান্তর করতে হবে, যেখানে প্রতিটি দেশের কণ্ঠস্বর ও অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে।
ব্রিকস জোটের অবস্থান পরিষ্কার করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানান যে, এই জোট কারও প্রতিপক্ষ নয়। তিনি বলেন, ব্রিকস কোনও দেশের বিরুদ্ধে নয় বরং অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ও ঐকমত্যের মাধ্যমে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চায়। জোটের সার্বিক কার্যক্রম ও দর্শন সবসময়ই সহযোগিতাপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদি সুনির্দিষ্ট কিছু বাস্তবমুখী পদক্ষেপের প্রস্তাবও তুলে ধরেন। তিনি বিশেষ করে সমুদ্রে কর্মরত নাবিকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণের বিষয়টি সামনে নিয়ে আসেন। মোদি সমুদ্রে কর্মরত নাবিকদের জন্য একটি জরুরি সহায়তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে যুক্ত এই পেশাজীবীদের সুরক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শনিবার নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত এই ব্রিকস সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্ব এবং নরেন্দ্র মোদির এই ১০টি প্রস্তাব তৈরির আহ্বান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গ্লোবাল সাউথের অধিকার এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো তুলে ধরার মাধ্যমে সম্মেলনটি শুরু থেকেই বিশেষ গুরুত্ব লাভ করেছে।








