নুসরাত হত্যা মামলার রায় ও মিডিয়া ট্রায়াল নিয়ে আইনজীবীদের প্রতিক্রিয়া
ফেনীর সোনাগাজীর মাদরাসা শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। ২৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ঢাকায় আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তারা মিডিয়া ট্রায়াল ও ১৬৪ ধারার জবানবন্দি নিয়ে কথা বলেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

ফেনীর সোনাগাজীর মাদরাসা শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার হাইকোর্টের রায় এবং মিডিয়া ট্রায়াল ও ১৬৪ ধারার জবানবন্দি নিয়ে নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। ২৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ঢাকায় এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হয়। চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলাটির বিচার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে আইনজীবী মহলে নানা আলোচনা চলছে।
বহুল আলোচিত এই মামলায় এর আগে নিম্ন আদালত রায় দিয়েছিল। পরবর্তীতে বিষয়টি হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়ায় এবং আদালত এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। হাইকোর্টের এই রায়ের ফলে মামলার আসামিদের সাজা ও আইনি অবস্থানে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
হাইকোর্টের রায়ের বিবরণ অনুযায়ী, নিম্ন আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামির মধ্যে ১০ জন খালাস পেয়েছেন। অর্থাৎ ১৬ আসামির বিশাল একটি অংশ উচ্চ আদালত থেকে মুক্তি লাভ করেছেন। বাকি ছয়জন আসামির বিরুদ্ধে আদালতের রায় বহাল বা পরিবর্তিত হয়েছে।
বাকি ছয়জনের মধ্যে দুইজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে। পাশাপাশি অন্য চারজনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্টের এই রায়ের পর মামলার আইনি প্রক্রিয়ায় নতুন মোড় নিয়েছে।
আদালতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই মামলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ও মোহাম্মদ শিশির মনির। তারা বিচার প্রক্রিয়া ও গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।
আইনজীবী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম তার বক্তব্যে মিডিয়া ট্রায়ালের বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, 'একটা সেনসেটিভ মার্ডার কেস বা যে কোনো মার্ডার কেসকে সেনসেটিভ করা হয় মিডিয়াতে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে।'
তার সঙ্গে সুর মিলিয়ে অপর আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বিচারিক আদালতের ওপর মিডিয়ার প্রভাবের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, 'অতিমাত্রায় কোনো ফৌজদারি মামলার মিডিয়া ট্রায়াল হলে অনেক সময় নিম্ন আদালতের বিচারকদের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।'








