দেশের সব জেলাকে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনা
জাতীয় সংসদে রেলপথমন্ত্রী দেশের সব জেলাকে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও বাংলাদেশ রেলওয়ের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। বর্তমানে রেলওয়ের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

জাতীয় সংসদে দেশের সব জেলাকে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে রেলপথমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও বাংলাদেশ রেলওয়ের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলাকে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানানো হয়।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ রেলওয়ের সামগ্রিক অবকাঠামো ও রুটের একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশের রেলপথের মোট রুটের দৈর্ঘ্য ৩ হাজার ৪২৮ দশমিক ০৯ কিলোমিটার। এর মধ্যে মিটার গেজ রুট রয়েছে ১ হাজার ৫৯১ দশমিক ৪৩ কিলোমিটার এবং ব্রডগেজ রুট রয়েছে ১ হাজার ৬৬.৬০ কিলোমিটার। এছাড়া ডুয়েল গেজ রুটের পরিমাণ ৭৭০.০৬ কিলোমিটার।
রুট ছাড়াও রেলওয়ের ট্র্যাকের বিস্তৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। রেকর্ডের হিসাব অনুযায়ী, ট্র্যাকে মোট দৈর্ঘ্য ৪ হাজার ৮২৬.০৯৭ কিলোমিটার। এর মধ্যে মিটার গেজ ট্র্যাক রয়েছে ২ হাজার ৩০৭ দশমিক ৩৮৩ কিলোমিটার এবং ব্রডগেজ ট্র্যাক রয়েছে ১ হাজার ৪৩৪ দশমিক ১৯ কিলোমিটার। পাশাপাশি ডুয়েল গেজ ট্র্যাকের মোট দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৮৪ দশমিক ৫২৬ কিলোমিটার।
রেলযোগাযোগের পরিধি বাড়াতে এবং বর্তমান নেটওয়ার্ক আরও সম্প্রসারণ করতে ইতিমধ্যে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে রেলওয়ের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে। এর মধ্যে মধুখালী থেকে কামারখালী হয়ে মাগুরা শহর পর্যন্ত ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সম্প্রসারণমূলক কাজের অংশ হিসেবে আরও একটি বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। সংসদীয় এই কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে শেখ রবিউল আলম, লুৎফুর রহমান এবং মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের নাম উঠে এসেছে।
সব মিলিয়ে বর্তমান অবকাঠামোর আধুনিকায়ন এবং নতুন রুট যুক্ত করার মাধ্যমে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের সার্বিক পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের বাকি জেলাগুলোও পর্যায়ক্রমে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় চলে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।








