দেশে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত: ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৪
বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৪ জন মারা গেছেন এবং নতুন করে ১ হাজার ১৫১ জনের শরীরে উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশে অব্যাহত রয়েছে হামের প্রাদুর্ভাব। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচওর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে এই রোগটির বিস্তার ও সংক্রমণ পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র ও নিয়মিত প্রতিবেদনের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
আজ রোববার প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গে আরও চারজন মারা গেছেন। মারা যাওয়া এই চারজনের মধ্যে দুজন বরিশাল বিভাগের, একজন ঢাকা বিভাগের এবং অন্যজন সিলেট বিভাগের বাসিন্দা। এই চারজনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে দেশে হামের উপসর্গজনিত মৃত্যুর সংখ্যা আরও এক ধাপ বাড়ল।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে দেশে মোট ৮৬৮ জন মারা গেছেন। এর পাশাপাশি, শুধুমাত্র নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ৯৯ জন। এই দুই হিসাব মিলিয়ে দেশে হামের কারণে সর্বমোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৬৭ জনে।
সংক্রমণের বিস্তারের চিত্র তুলে ধরে প্রতিবেদনে জানানো হয়, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে আরও ১ হাজার ১৫১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এর ফলে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হওয়া মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২৯ জনে।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে ৩৬৫ জন। সব মিলিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ১৯ হাজার ২১৮ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৪৭ জন রোগী।
তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও স্বস্তির খবর হলো, হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নেওয়া আক্রান্তরা সুস্থও হয়ে উঠছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন মোট ১ লাখ ৩২ হাজার ২৯২ জন রোগী।
এদিকে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে নতুন করে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কেউ মারা যায়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। তবে সামগ্রিক প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।








