দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে দৈনিক মৃত্যু ও আক্রান্তের তথ্য প্রকাশ
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী দেশে হাম এবং এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী শনাক্ত ও মৃত্যুর পাশাপাশি সুস্থ হওয়ার তথ্য জানিয়েছে ডিজিএইচএস।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস) দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে দৈনিক মৃত্যু এবং আক্রান্তের নতুন পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। ১৬ আগস্ট ২০২৬, রবিবার প্রকাশিত এই তথ্যে বিগত ২৪ ঘণ্টার ডেটা এবং চলতি বছরের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর বরা୍দ দিয়ে ইউএনবি এবং দ্য ডেইলি স্টার এই আপডেট প্রকাশ করেছে।
প্রকাশিত তথ্যের প্রথম উৎস অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় হাম এবং হামের মতো উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ জন রোগী মারা গেছেন। এর ফলে এই বছর নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন হাম-সম্পর্কিত মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৮৫ জনে। এর মধ্যে হামে নিশ্চিত মৃত্যুর মোট সংখ্যা বেড়ে ৯৯ জনে উন্নীত হয়েছে এবং সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৮৬ জনে।
একই ২৪ ঘণ্টার периоডে ৯৪১টি নতুন সন্দেহভাজন হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে, যার ফলে মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১,৩৯,১২৫ জনে পৌঁছেছে। পাশাপাশি, ৮৪টি নতুন নিশ্চিত হামের কেস রেকর্ড করা হয়েছে, যা ল্যাবরেটরি-নিশ্চিত সংক্রমণের মোট সংখ্যা ১৭,৪৬৯ জনে উন্নীত করেছে।
তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে দেশজুড়ে সন্দেহভাজন হাম নিয়ে ১,২১,০১৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১১৬,৮২৭ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। উভয় প্রতিবেদনেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, হামে নিশ্চিত মৃত্যুর মোট সংখ্যা অপরিবর্তিত থেকে ৯৯টিতেই রয়েছে।
দ্বিতীয় উৎসের পরিসংখ্যানে জানানো হয়েছে, অন্য একটি ২৪ ঘণ্টার সময়ে হামের মতো উপসর্গ নিয়ে ৬ জন মারা গেছেন, যা এই বছরের সম্মিলিত মৃতের সংখ্যা ৯০৮ জনে উন্নীত করেছে। এই সময়ে সন্দেহভাজন হামে মৃত্যুর মোট সংখ্যা বেড়ে ৮০৯ জনে পৌঁছেছে।
এই দ্বিতীয় প্রতিবেদনে ১,০২১টি নতুন সন্দেহভাজন হামের কেস রিপোর্ট করা হয়েছে, যার মাধ্যমে মোট সংখ্যা ১,৪২,৭৯৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ৮০টি নতুন নিশ্চিত হামের সংক্রমণ রেকর্ড করায় মোট ল্যাবরেটরি-নিশ্চিত কেসের সংখ্যা ১৭,৮৮০ জনে উন্নীত হয়েছে।
সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে দেশজুড়ে সন্দেহভাজন হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১,২৪,৪৫৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১১৯,৯৩৯ জনে পৌঁছেছে বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে।








