দেশে লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস, সর্বোচ্চ ২৭১৩ মেগাওয়াটের আশঙ্কা
আগামী ২৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যার পিক সময়ে সারাদেশে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৭০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। এর মধ্যে ঢাকা অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি ৬৯৮ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

আগামী ২৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লোডশেডিংয়ের একটি নতুন পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই পূর্বাভাস অনুযায়ী দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহের বর্তমান পরিস্থিতি এবং এর সম্ভাব্য ঘাটতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
দেশের বিদ্যুৎ খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)-র পক্ষ থেকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। পিজিসিবি-র সুনির্দিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখের সন্ধ্যার পিক সময়ে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)-র হিসাব অনুযায়ী, সন্ধ্যার পিক সময়ে সারাদেশে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৭০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। এই বড় অংকের বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে দেশের সাধারণ জনজীবন এবং দাপ্তরিক কার্যক্রমে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যে আরও জানা গেছে যে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে বিদ্যুৎ ঘাটতির পরিমাণ একেক জায়গায় একেক রকম হতে পারে। ভৌগোলিক ও চাহিদার তারতম্যের ওপর ভিত্তি করে এই ঘাটতির হিসাব নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর মধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সংলগ্ন ঢাকা অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি লোডশেডিং হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)-র তথ্য অনুযায়ী, শুধু ঢাকা অঞ্চলেই সর্বোচ্চ ৬৯৮ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হতে পারে।
সার্বিকভাবে ২৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখের এই লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার বর্তমান সক্ষমতা এবং চাহিদার ব্যবধানকে স্পষ্ট করে। সংশ্লিষ্টরা এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার কথা ভাবতে পারেন।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)-র এই তথ্য প্রকাশের পর থেকেই দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পিক সময়ে এই সর্বোচ্চ ২ হাজার ৭০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।








