দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া কমানোর ঘোষণা ট্রাম্পের
ব্যয় সংকোচন এবং ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন পদক্ষেপে সিউলের অংশগ্রহণে অস্বীকৃতির জেরে যৌথ সামরিক মহড়া কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে, মহড়া নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই চলবে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া 'উলচি ফ্রিডম শিল্ড' কমিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এই ঘোষণায় ব্যয় কমানোর পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ঘোষণার মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে মাত্রাতিরিক্ত খরচ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার অনীহা। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান বিভিন্ন পদক্ষেপে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।
এই ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মাঝেই সামরিক মহড়া হ্রাস করার এই সিদ্ধান্ত এল। উল্লেখ্য, এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া, ইরান, জাপান, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও রাশিয়া সংশ্লিষ্ট রয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতেও কৌশলগত দিক থেকে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রায় ২৮ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা এবং ১৮ হাজার দক্ষিণ কোরীয় সেনা অবস্থান করছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
তবে ট্রাম্পের এমন ঘোষণার ঠিক পরপরই দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে। সিউল পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের পূর্বনির্ধারিত যৌথ সামরিক মহড়া নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই চলবে।
দক্ষিণ কোরিয়ার এই অবস্থান নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। মার্কিন সিদ্ধান্তের বিপরীতে সিউলের এই অনমনীয় মনোভাবের মূল জবাবে তারা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, "না, ধন্যবাদ।"
এই পুরো ঘটনাপ্রবাহে কিম জং উনসহ সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলোর পরবর্তী পদক্ষেপে কী আসে-সেদিকেই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের। যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার এই টানাপোড়েন শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখার বিষয়।








