তিবতের গিয়রং বন্দরে বন্যা ও উদ্ধারকাজ পরিদর্শনে লি কেকিয়াং
গত বুধবার তিব্বতের গিয়রং বন্দর এলাকায় আকস্মিক বন্যায় হতাহত ও নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি পরিদর্শনে গত বৃহস্পতিবার সেখানে যান প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

তিবতের গিয়রং বন্দর এলাকায় গত বুধবার এক মারাত্মক বন্যা আঘাত হেনেছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে ওই অঞ্চলে বেশ কিছু হতাহতের ঘটনা ঘটে এবং বহু মানুষ নিখোঁজ হন। আকস্মিক এই বন্যায় তিব্বতের গিয়রং বন্দর ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহতা এবং এর পরবর্তীতে চলা উদ্ধারকাজ সরাসরি তদারকি করার জন্য উচ্চপর্যায়ের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং স্বয়ং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং ধ্বংসস্তূপ অপসারণ এবং উদ্ধারকাজ কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং উদ্ধারকাজ দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করার জন্য তিনি প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
চীনের কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব ও সরকারের পক্ষ থেকে এই দুর্যোগের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংয়ের এই পরিদর্শনের মাধ্যমে দুর্গত এলাকায় সরকারি সহায়তার তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।
এদিকে, তিব্বত অঞ্চলের সার্বিক ভূরাজনৈতিক ও সংবেদনশীল পরিস্থিতির কারণে সেখানে সংবাদ সংগ্রহের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশি সাংবাদিকরা সরকারের বিশেষ অনুমতি ছাড়া তিব্বত ভ্রমণ করতে পারেন না। ফলে এই বন্যা ও উদ্ধারকাজের বিষয়ে স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ করা সাংবাদিকদের জন্য বেশ দুরূহ একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গত বুধবারের এই বন্যা এবং পরবর্তী উদ্ধারকাজে শিজ জিনপিং, লরা বাইকার, দালাইলামা, বিবিসি কিংবা দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন ফর তিব্বত (আইসিটি)-এর মতো ব্যক্তি বা সংস্থাগুলোর কোনো প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার তথ্য এই মুহূর্তে নিশ্চিত করা হয়নি। প্রশাসন বর্তমানে দুর্গত এলাকায় উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।








