ঢাবির তিন শিক্ষক বরখাস্তের প্রতিবাদ পেশাজীবী পরিষদের
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত ও ট্রাইব্যুনাল গঠনের সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদ। গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার নিন্দা জানানো হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল গঠনের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদ। রাজধানী ঢাকা থেকে গত ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর তারিখে পাঠানো এক বিবৃতির মাধ্যমে এই প্রতিবাদ জানানো হয়। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নেওয়া বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও বরখাস্তের ঘটনার প্রেক্ষিতে এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সংগঠনটি।
পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদের দেওয়া ওই বিবৃতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল গঠনের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তারও কড়া সমালোচনা করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষালয় ও প্রতিষ্ঠানে চলমান শিক্ষক বরখাস্ত এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এই মানবাধিকার সংগঠনটি।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. এম. অহিদুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই ইনস্টিটিউটের আরেক অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান লিটু এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমানকেও সাময়িক বরখাস্তের এই নির্দেশনার আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল গঠন করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই তিন শিক্ষকের সাময়িক বরখাস্তের বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে। পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদ তাদের ওই বিবৃতিতে এই ধরনের পদক্ষেপে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তা অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, এই পুরো ঘটনার পটভূমিতে রয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বরখাস্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থার বিষয়টি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখিত তিন শিক্ষক ছাড়াও এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে আরও অনেক শিক্ষক ও ব্যক্তির নাম জড়িত রয়েছে। যার মধ্যে ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, কৃষিবিদ মিজানুর রহমান, ড. সাদেকা হালিম, ড. আজমল হোসেন ভূঁইয়া, ডা. আহসান হাবীব হেলাল, ডা. সুবাস দে, ড. পূর্বা ইসলাম, ড. মাহবুবুর রহমান এবং শেখ জামালের মতো ব্যক্তিরা রয়েছেন।
এছাড়াও এই পুরো ঘটনার সঙ্গে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের নাম জড়িয়ে রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম। এসব প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক পরিস্থিতি এবং শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপ নিয়েই মূলত পেশাজীবী মানবাধিকার পরিষদ তাদের এই জোরালো অবস্থান ও বিবৃতি প্রকাশ করেছে।








