ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ রোধে সচিবালয়ে পর্যালোচনা সভা
রাজধান ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে বাংলাদেশ সচিবালয়ে একটি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ রেখে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

রাজধান ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকায় এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় রাজধানী ও এর আশপাশের নদীগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি এবং তা থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠিত এই পর্যালোচনা সভায় প্রধানত বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, ধলেশ্বরী, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। ঢাকার চারপাশের এই নদীগুলোর অব্যাহত দূষণ রোধে দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
সভায় বক্তারা নদী বাঁচানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। এই পর্যালোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ রেখে যাওয়ার আহ্বান জানান।
নদীর দূষণ রোধে কেবল সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, 'শুধু সরকারি নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করলে হবে না, ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকেও কাজ করতে হবে।' তিনি আরও বলেন, 'নিজেদের পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও দূষণমুক্ত নদী ও একটি বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এ জন্য শুধু সরকারি নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করলে হবে না, ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকেও কাজ করতে হবে।'
সভায় ঢাকা সিটি করপোরেশন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনী সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। পাশাপাশি সভায় গাজী শাহরিয়ার পামির, ড. আবদুল মঈন খান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, শেখ রবিউল আলম, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ সাকি, রাজিব আহসান, শেখ ফরিদুল ইসলাম, ড. সাইমুম পারভেজ, এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং রিয়ার অ্যাডমিরাল আব্দুল্লাহ-আল-মাকসুস উপস্থিত ছিলেন।
সভায় অংশগ্রহণকারী সংশ্লিষ্টরা ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। সার্বিক বর্জ্য অপসারণ ও নদী রক্ষা কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট সব মহলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয় এই সভা থেকে।








