টঙ্গীর বন্ধ থাকা তিনটি টেক্সটাইল মিল চালুর উদ্যোগ
গাজীপুরের টঙ্গীতে বন্ধ থাকা তিনটি টেক্সটাইল মিল পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মিলগুলোর ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা পরিষদের সদস্যদের নিয়ে একটি মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

গাজীপুরের টঙ্গীর তিনটি বন্ধ টেক্সটাইল মিল পুনরায় চালulu করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মিলগুলো হলো নিউ মন্নু ফাইন কটন মিলস লিমিটেড, নিউ অলিম্পিয়া টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড ও মেঘনা টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে আবার সচল করতে সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে গত ১২ সেপ্টেম্বর দুপুরে টঙ্গীর ইজতেমা মাঠসংলগ্ন নবী হাউজে একটি পরিচিতি ও মতবিনিময়সভার আয়োজন করা হয়। মিল তিনটির ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা পরিষদের সদস্যদের নিয়ে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মিলগুলোর বর্তমান অবস্থা এবং তা চালুর উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন (বিটিএমসি)-এর আওতাধীন ছিল এই মিল তিনটি। ২০০১ সালে যৌথ উদ্যোগের বা জয়েন্ট ভেঞ্চারের মাধ্যমে মিলগুলোর মালিকানা শেয়ারহোল্ডারদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। কিন্তু মালিকানা হস্তান্তরের পর থেকেই প্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
সভায় মিলগুলো চালুর ক্ষেত্রে আর্থিক চ্যালেঞ্জের বিষয়টি উঠে আসে। জানা যায়, বর্তমানে প্রতিটি মিলের ঋণের পরিমাণ ৪৪ কোটি টাকার বেশি। দীর্ঘদিন ধরে মিলগুলো বন্ধ থাকায় এই বিশাল অঙ্কের ঋণ ও জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।
সভায় বক্তব্য দেন আবু হাসান। তিনি বলেন, 'হস্তান্তরের সময় ঋণের পরিমাণ কম ছিল। কিন্তু, দীর্ঘদিন মিল বন্ধ থাকায় সুদ যুক্ত হয়ে বর্তমানে দায় অনেক বেড়ে গেছে। ব্যাংকগুলো সুদ মওকুফ করলে জয়েন্ট ভেঞ্চারের মাধ্যমে মিলগুলো নতুনভাবে চালু করা সম্ভব হবে।'
মতবিনিময়সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এম. মঞ্জুরুল করিম রনি, সালাউদ্দিন সরকার, রাকিব উদ্দিন সরকার পাপ্পু, সরকার জাবেদ আহাম্মেদ সুমন, গাজী সালাউদ্দিন, বসির উদ্দিন এবং আসাদুজ্জামান নুর ভিপি আসাদ। তারা সবাই মিলগুলোর ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা পরিষদের সদস্য।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ব্যাংকগুলো সুদ মওকুফ করলে এবং সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে বন্ধ থাকা এই তিনটি টেক্সটাইল মিল খুব শীঘ্রই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে আবার উৎপাদনে ফিরতে পারবে।








