জ্বালানি সংকট দূর করতে কাজ চলছে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী
আজ বুধবার শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি দেশের গ্যাস সংকট ও জ্বালানি পরিকল্পনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য তুলে ধরেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

আজ বুধবার শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশন অবস্থিত এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা পরবর্তী একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে দেশের সার্বিক গ্যাস সংকট এবং ভবিষ্যৎ জ্বালানি পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য তুলে ধরেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েद আব্দুর রহিম সাকি।
সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি খাতের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, “জ্বালানি নীতি আমদানিনির্ভর করা হয়েছিল। সংকট দূর করতে আমরা কাজ করছি। সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে, এটা দূর করা হচ্ছে। প্রয়োজন মেটাতে আমরা গ্যাস আমদানি করছি। তবে গ্যাস আমদানি করলেই হবে না, এলএনজি স্টেশনও লাগবে। এটি বসাতেও সময় লাগবে।”
প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও জানান যে, মহেশখালীতে অবস্থিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে বয়লার বা কারিগরি ত্রুটির কারণে মূলত গ্যাস সরবরাহে মারাত্মক সমস্যা তৈরি হয়েছিল। এই অনভিপ্রেত ত্রুটির কারণে সাময়িকভাবে গ্যাস ঘাটতি দেখা দেয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় যে, বর্তমানে দেশের ভেতরে দেড় মাসের জ্বালানি তেলের মজুত করার সুনির্দিষ্ট সক্ষমতা রয়েছে। এই মজুত দিয়েই সাময়িক চাহিদা মেটানোর কাজ চলছে।
এদিকে, শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আজকের এই একনেক সভায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জামালপুরের মাদারগঞ্জে ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ (দ্বিতীয় সংশোধন) প্রকল্প।
এছাড়াও আজকের একনেক সভায় ডেসকোর নির্দিষ্ট এলাকার বৈদ্যুতিক অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং তা আরও শক্তিশালীকরণ সংক্রান্ত (প্রথম সংশোধন) প্রকল্পটি অনুমোদন লাভ করেছে। এই প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।








