জেনে নিন ইউএসবি ফোর প্রযুক্তির বিস্তারিত ও গতিসীমা
২০১৯ সালে উন্মুক্ত হওয়া ইউএসবি ফোর প্রযুক্তির মাধ্যমে উচ্চ গতিতে ডাটা ট্রান্সফার, ভিডিও আউটপুট এবং চার্জিংয়ের সুবিধা পাওয়া যায়। প্রথম প্রজন্মের ইউএসবি ফোর ৪০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ দিতে সক্ষম।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে সাথে ডেটা ট্রান্সফার এবং ডিভাইস সংযোগের মাধ্যম হিসেবে ইউএসবি প্রযুক্তিতে এসেছে নতুন রূপ। ২০১৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হয় আধুনিক ইউএসবি ফোর (USB4) প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যবহারকারীদের দ্রুতগতির ডেটা স্থানান্তর এবং বহুমুখী সুবিধা প্রদান করা।
ইউএসবি ফোর প্রযুক্তির অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর অবিশ্বাস্য ব্যান্ডউইথ বা ডেটা স্থানান্তরের গতি। প্রথম প্রজন্মের ইউএসবি ফোর ৪০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ প্রদানে সক্ষম। তুলনামূলকভাবে, যেখানে প্রথম প্রজন্মের ইউএসবি ৩.২ এর সর্বোচ্চ ডেটা ট্রান্সফার রেট ছিল ৫ জিবিপিএস এবং সাধারণ ইউএসবি ৩.২ এর সর্বোচ্চ ব্যান্ডউইথ ছিল ১০ বা ২০ জিবিপিএস, সেখানে ইউএসবি ফোর প্রযুক্তির গতি অনেক বেশি।
এরও এক ধাপ এগিয়ে ইউএসবি ফোর ভার্সন ২.০ ডিভাইসগুলোতে আরও দ্বিগুণ গতি যুক্ত করা হয়েছে। ইউএসবি ফোর ভার্সন ২.০ ডিভাইসগুলো ৮০ জিবিপিএস পর্যন্ত ব্যান্ডউইথ অফার করে থাকে। এই বর্ধিত গতির ফলে কাজের পরিধি আরও অনেক সহজ ও দ্রুত হয়েছে।
গতি বৃদ্ধির এই ধারাবাহিকতায় স্টোরেজ ডিভাইসের ক্ষেত্রেও এসেছে অভূতপূর্ব পরিবর্তন। ইউএসবি ফোর পোর্টেবল এসএসডি লেখার গতি ৪,০০০ এমবি/সেকেন্ড পর্যন্ত হয়ে থাকে। অন্যদিকে, আরও উন্নত ইউএসবি ফোর ২.০ পোর্টেবল এসএসডি রাইট স্পিড বা লেখার গতি ৮,০০০ এমবি/সেকেন্ড পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে ইউএসবি ফোর প্রযুক্তিতে সম্পূর্ণ নতুন রূপ দেওয়া হয়েছে। সব ইউএসবি ফোর ক্যাবলই ইউএসবি-সি (USB-C) ব্যবহার করে। তবে এটি মনে রাখা জরুরি যে, পুরোনো ইউএসবি-সি কানেক্টরগুলো ইউএসবি ফোর-এর এই উচ্চ ব্যান্ডউইথ বা গতি সমর্থন করে না।
শুধুমাত্র ডেটা আদান-প্রদানই নয়, ইউএসবি ফোর প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের বহুমুখী কাজ করার সুবিধা দেয়। এটি একই সাথে ভিডিও আউটপুট, যুগপৎ ডেটা ট্রান্সফার বা যুগপৎ ডেটা স্থানান্তর, ভিডিও সিগন্যাল হোস্ট করা এবং ডিভাইস চার্জিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পরিচালনা করতে পারে।








