জিএসইএ বাংলাদেশের ১১তম আসরের আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু
গ্লোবাল স্টুডেন্ট এন্ট্রাপ্রেনিউর অ্যাওয়ার্ডস (জিএসইএ) বাংলাদেশের ১১তম আসরের আবেদনপ্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হয়েছে। আগামী ৭ নভেম্বর ২০৬ সালের মধ্যে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

গ্লোবাল স্টুডেন্ট এন্ট্রাপ্রেনিউর অ্যাওয়ার্ডস (জিএসইএ) বাংলাদেশের ১১তম আসরের আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিযোগিতার আবেদনপ্রক্রিয়া উন্মুক্ত করা হয়। দেশের তরুণ ও উদ্যমী শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়িক উদ্যোগগুলোকে বৈশ্বিক মঞ্চে তুলে ধরার লক্ষ্যে এই আয়োজনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, আগামী ৭ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত প্রতিযোগিতার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট eobangladesh.org/gsea ঠিকানায় গিয়ে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ ব্যবসা ও উদ্যোক্তা ভাবনার বিবরণ দিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য নিজেদের নাম নিবন্ধন করতে পারবেন।
এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট শর্ত রয়েছে। আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের ব্যবসা থেকে কমপক্ষে ৫০০ মার্কিন ডলার আয় অথবা ১ হাজার মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ থাকতে হবে। এই শর্তগুলো পূরণ সাপেক্ষে যোগ্য শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতার পরবর্তী ধাপগুলোর জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে পারবেন।
আবেদন প্রক্রিয়া শেষে বাছাইকৃত প্রতিযোগীদের নিয়ে আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসে এই প্রতিযোগিতার জাতীয় গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী সেরা প্রতিযোগী চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আকর্ষণীয় পুরস্কার লাভ করবেন।
প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন বিজয়ী পাবেন পাঁচ লাখ টাকা পুরস্কার। এছাড়া এই প্রতিযোগিতার গ্লোবাল ফাইনালের শীর্ষ তিন বিজয়ী পাবেন মোট এক লাখ মার্কিন ডলার পুরস্কার, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে।
জিএসইএ বাংলাদেশের ১১তম আসরের এই পুরো আয়োজনের সাথে বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান যুক্ত রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আজরা সেলিম, কিম্বর্লি হান্না কাজী, মোস্তফা কামরুস সোবহান, তানাজ্জুল আয়মান, মোহাম্মদ তারেকুজ্জামান এবং তাহমিনা আফরোজ।
এছাড়া এই আয়োজনের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে জিএসইএ বাংলাদেশ, সম্ভব হেলথ লিমিটেড, এন্ট্রাপ্রেনিউরস অর্গানাইজেশন (ইও) বাংলাদেশ, কাজী রিসোর্ট, ড্রাগন গ্রুপ, স্পার্ক ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড, ইনডেসোর সোয়েটার লিমিটেড এবং ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। এসব প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় তরুণ উদ্যোক্তাদের এই প্রতিযোগিতা সফলভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।








