জামালপুরে সোনালী ব্যাংকের শাখায় ছুটির দিনেও বাংলা কিউআর হিসাব খোলা
বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে ডিজিটাল লেনদেন সহজ করতে জামালপুরে সোনালী ব্যাংকের ১৯টি শাখায় সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার বাংলা কিউআর হিসাব খোলা হয়েছে। গ্রাহকের অনুমতি বা অজান্তেই এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে ডিজিটাল লেনদেন আরও সহজ ও নিরাপদ করার জন্য দেশজুড়ে ‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্ট ব্যবস্থা চালুর প্রক্রিয়া চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে জামালপুর জেলার বিভিন্ন শাখায় বিশেষ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। দিনটি ছিল শনিবার, অর্থাৎ সাপ্তাহিক ছুটির দিন। ছুটির দিনেও সরকারি খাতের বৃহত্তম ব্যাংক সোনালী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকার চিত্র দেখা গেছে।
জানা গেছে, জামালপুর জেলার আওতাধীন সোনালী ব্যাংকের মোট ১৯টি শাখা রয়েছে। এসব শাখার মাধ্যমে গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের সাধারণ মানুষের কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। গত ২২ আগস্ট এই ১৯টি শাখার মধ্যে জামালপুর শহর ও মাদারগঞ্জ উপজেলার একাধিক শাখায় ছুটির দিনে ব্যাংক কর্মকর্তাদের সক্রিয়ভাবে কাজ করতে দেখা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রকাশ, এই বিশেষ কার্যক্রমে প্রতিটি শাখার জন্য একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি শাখায় প্রতিদিন ন্যূনতম ৩০০ থেকে ৩৫০ জন গ্রাহকের ‘বাংলা কিউআর’ হিসাব খোলার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্যই মূলত ছুটির দিনেও ব্যাংক কর্মকর্তাদের কর্মব্যস্ততা বজায় রাখতে দেখা গেছে।
তবে এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গ্রাহকের পূর্বানুমতি নিয়ে অথবা গ্রাহকের অজান্তেই এই সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সোনালী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোতে বাংলা কিউআর হিসাব খোলার এই কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। ডিজিটাল লেনদেন প্রসারের এই প্রক্রিয়ায় ব্যাংকের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন।
উক্ত কার্যক্রমে ব্যাংকের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এই পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি হিসেবে মো. শহিদুল ইসলাম, আব্দুর রহিম, জহিরুল হক এবং মুহাম্মদ এনামুল হক নামের চার ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তাদের সুনির্দিষ্ট পদবি বা বক্তব্য এই মুহূর্তে জানা যায়নি।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ব্যাংক নগদ লেনদেন কমিয়ে দেশের অর্থনীতিকে ক্যাশলেস বা নগদবিহীন লেনদেনের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবেই কিউআর কোডভিত্তিক পেমেন্ট ব্যবস্থা চালুর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। জামালপুর ও মাদারগঞ্জ উপজেলার সোনালী ব্যাংকের শাখাগুলোতে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই ছুটির দিনে এই হিসাব খোলা হয়।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে সোনালী ব্যাংকের জামালপুর অঞ্চলের ১৯টি শাখা মাঠপর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছে। আগামীতেও ডিজিটাল লেনদেনের এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।








