জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
বাগেরহাটের রামপাল মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। বর্তমানে এই কেন্দ্রটির স্থাপিত ক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট এবং এটি মূলত বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের মাধ্যমেই পরিচালিত হচ্ছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাগেরহাটে অবস্থিত রামপাল মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে নিয়মিতভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। পরিবেশ সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই কেন্দ্রটির সার্বিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
রামপাল মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট স্থাপিত ক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। জাতীয় গ্রিডে থেকে যখনই যতটুকু বিদ্যুতের চাহিদা থাকে, প্ল্যান্টটি তাদের পূর্ণ সক্ষমতা অনুযায়ী ঠিক ততটুকুই বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে।
উৎপাদনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের ১ আগস্ট থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত এই কেন্দ্র থেকে মোট ৬৪ কোটি ৩৬ লক্ষ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে। এর আগে গত জুন মাসে এই প্ল্যান্টে মোট ৮২ কোটি ৭৩ লক্ষ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছিল।
বর্তমানে এই গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পরিচালনার পুরো দায়িত্ব রয়েছে বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের হাতে। আগে যারা ভারতীয় প্রকৌশলী ছিলেন, তারা এখানকার নবনিযুক্ত বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের অত্যন্ত সুন্দরভাবে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। বর্তমানে সেই ভারতীয় প্রকৌশলীরা কেবল উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের সার্বিক কার্যক্রম প্রসঙ্গে কথা বলেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। খাঁন নোমান শিবলী জানিয়েছেন, রামপাল পাওয়ার প্লান্ট একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান। তাদের এই পাওয়ার প্ল্যান্ট পরিবেশের কোনো ধরনের ক্ষতি না করেই নিয়মিত বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
আনোয়ারুল আজিম এই প্রসঙ্গে জানান যে, ভারতীয় প্রকৌশলীরা তাদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পর এখন উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং মূল পাওয়ার প্ল্যান্টটি পরিচালনা করছেন দেশের প্রকৌশলীরাই।
রমানাথ পূজারী জানান, রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। গ্রিডে যতটুকু চাহিদা থাকে, তারা সক্ষমতা অনুযায়ী ততটুকুই সরবরাহ করছেন এবং পরিবেশ ঠিক রেখেই সব কার্যক্রম চলছে। আগামী দিনেও এই চাহিদা অনুযায়ী জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ চলমান থাকবে।








