জলপাইগুড়িতে স্ত্রীকে খুনের পর থানায় স্বামীর আত্মসমর্পণ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়িতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রোখসানা বেগম নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। এই ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী জাহাঙ্গীর আলম কীটনাশক খেয়ে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়িতে এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিন বছর আগে জাহাঙ্গীর আলম ও রোখসানা বেগম দম্পতির বিয়ে হয়েছিল। এই দম্পতির ঘরে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথyl অনুযায়ী, হত্যাকাਦটি ঘটেছে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন রোখসানা বেগম। তার মৃত্যুর এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্ত্রীকে হত্যার পর পরই অভিযুক্ত স্বামী জাহাঙ্গীর আলম নিজেই ধূপগুঁড়ি পুলিশ স্টেশনে উপস্থিত হন। তবে থানায় পৌঁছানোর আগেই তিনি কীটনাশক পান করেছিলেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
পুলিশ স্টেশনে গিয়ে জাহাঙ্গীর আলম নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করেন। তার এই আত্মবিশ্বাসী ও নাটকীয় আত্মসমর্পণের সময় তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল কি না, তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। তবে কীটনাশক খাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বর্তমানে পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন। নিহত রোখসানা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
এই নৃশংস ঘটনার নেপথ্য কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার পর থেকে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে শোক ও ক্ষোভের আবহ বিরাজ করছে।








