চুয়াডাঙ্গায় ৫৫০ প্রজাতির ফলের বাগান করে তাক লাগালেন তরুণ উদ্যোক্তা
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের তরুণ উদ্যোক্তা সজল আহমেদ প্রায় ৫৫০ প্রজাতির দেশি-বিদেশি ফলের একটি বিশাল বাগান গড়ে তুলেছেন। এই বাগান থেকে তার বার্ষিক আয় প্রায় ২ কোটি টাকা।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলায় ফলের চাষ করে অনন্য এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এক তরুণ উদ্যোক্তা। দেশের ফলের বাজারে বৈচিত্র্য আনতে এবং আধুনিক কৃষি উদ্যোগে সফল হতে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন ধরনের ফল চাষের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তার এই কৃষি উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
উদ্যোক্তার নাম সজল আহমেদ। তিনি চুয়াডাঙ্গার জীবননগর এলাকায় এই ব্যতিক্রমী ও বৃহৎ কৃষি উদ্যোগটি গ্রহণ করেছেন। তরুণ বয়সে বড় ধরনের কোনো চাকরির পেছনে না ছুটে তিনি কৃষিকে পেশা হিসেবে বেছে নেন এবং নিজের মেধা ও পরিশ্রমে গড়ে তোলেন এই অভিনব ফলের বাগান।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই বাগানে দেশি ও বিদেশি উভয় প্রজাতির ফলের সমাহার রয়েছে। সজল আহমেদ তার বাগানে প্রায় ৫৫০ প্রজাতির দেশি-বিদেশি ফলের গাছ সফলভাবে রোপণ ও পরিচর্যা করেছেন। এত বিপুল সংখ্যক প্রজাতির ফল একসঙ্গে এক বাগানে চাষ করা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত বিরল একটি ঘটনা।
বৈচিত্র্যময় এই ফলের বাগান শুধু তার শখের বিষয়ই নয়, বরং এটি এখন একটি লাভজনক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে রূপ নিয়েছে। বাণিজ্যিকভাবে সফল এই উদ্যোগ থেকে তিনি নিয়মিতভাবে বড় অংকের আর্থিক লাভবান হচ্ছেন।
ব্যবসায়িক সাফল্যের দিক থেকে জানা যায়, সজল আহমেদের এই বাগান থেকে বার্ষিক আয় হয় প্রায় ২ কোটি টাকা। তার এই অভাবনীয় সাফল্য দেশের অন্যান্য তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্যও একটি বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে।
প্রথম আলোর তথ্যানুযায়ী, এই পুরো উদ্যোগটি পরিচালিত হয়েছে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর অঞ্চলে। কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির এই সফলতা দেশের বেকার সমস্যা দূরীকরণে এবং ফল উৎপাদনে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।








