চুয়াডাঙ্গায় আমির দম্পতিকে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাকা ঘরের চাবি হস্তান্তর
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ভূমিহীনপাড়ায় দীর্ঘদিনের মানবেতর জীবন থেকে মুক্তি মিলেছে আমির দম্পতি। ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে তাদের হাতে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাকা ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ভূমিহীনপাড়ায় দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন আমির হোসেন ও তার স্ত্রী সুমাইয়া খাতুন। কোনো নিজস্ব মাথা গোঁজার ঠাঁই না থাকায় এই দম্পতি অন্যের বাড়ির ছাগলের ঘরের এক কোণে অত্যন্ত কষ্টে বসবাস করে আসছিলেন। তাদের এই দুরবস্থা স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আসার পর তাদের জীবনমানের উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়।
অবশেষে সেই অবর্ণনীয় দুর্দশার দিন শেষ হয়েছে এই আমির দম্পতির। গত ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি পাকা ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ঠিকানা না থাকার অনিশ্চয়তা কাটিয়ে একটি স্থায়ী ও নিরাপদ আশ্রয়ের ঠিকানা পেলেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে আয়োজিত এই চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি ও স্থানীয় ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সরকারের এই জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের অংশ হিসেবে আমির হোসেন ও সুমাইয়া খাতুনের মতো প্রকৃত ভূমিহীন ও অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আমির হোসেন ও সুমাইয়া খাতুনের হাতে পাকা ঘরের চাবি তুলে দেওয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান। তিনিসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরের চাবি দম্পতির হাতে হস্তান্তর করেন এবং তাদের নতুন জীবনের শুভকামনা জানান।
উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ভূমিহীনপাড়ায় বাস্তবায়িত এই আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে অনেক অসচ্ছল ও ভূমিহীন মানুষ নতুন জীবনের সুযোগ পাচ্ছেন। অন্যের বাড়ির ছাগলের ঘরে বসবাসকারী আমির হোসেন ও সুমাইয়া খাতুনের এই পুনর্বাসন কার্যক্রম স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
সরকার দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের জন্য যে আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে আসছে, কার্পাসডাঙ্গার আমির দম্পতির ঘর পাওয়া তারই একটি বাস্তব উদাহরণ। এর ফলে দীর্ঘদিনের অবহেলিত এই দম্পতি এখন থেকে একটি পাকা ঘরে মর্যাদাপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারবেন, যা তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এক বিশাল ভূমিকা রাখবে।








