চসিকে অবৈধ ব্যানার-পোস্টার অপসারণ, দুই কোচিং সেন্টারকে জরিমানা
চট্টগ্রামে নগরের সৌন্দর্য রক্ষায় অনুমোদনহীন ব্যানার ও পোস্টার অপসারণে অভিযান চালিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। এ সময় অবৈধভাবে পোস্টার সাঁটানোর দায়ে দুটি কোচিং সেন্টারকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে নগরের সৌন্দর্য রক্ষা এবং যত্রতত্র সাঁটানো অবৈধ ব্যানার-পোস্টার অপসারণে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ১৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে চসিকের পক্ষ থেকে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিল নগরকে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর রাখা।
অভিযানটি পরিচালিত হয় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-৩-এর আওতাধীন এলাকায়। চসিকের এই উচ্ছেদ ও অপসারণ কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা জুবাইদা আক্তার।
অভিযান চলাকালে দেখা যায়, অনুমতি ছাড়াই বিভিন্ন স্থানে ব্যানার ও পোস্টার সাঁটানো হয়েছে। এর মধ্যে অনুমোদন ছাড়া যত্রতত্র ব্যানার ও পোস্টার সাঁটানোর অপরাধে 'এসপায়ারিং বাংলাদেশ' ও 'মুন্না স্যার' নামের দুটি কোচিং সেন্টারকে সুনির্দিষ্টভাবে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
আইন অমান্য করে এমন কার্যক্রম পরিচালনার দায়ে দণ্ডিত প্রতিষ্ঠান দুটি পরবর্তীতে কঠোর সতর্কতার মুখোমুখি হয়। তারা ভবিষ্যতে আর কখনোই এই ধরনের অনুমোদন ছাড়া ব্যানার-পোস্টার না সাঁটানোর বিষয়ে লিখিত মুচলেকা প্রদান করে।
অভিযান প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নির্দেশনার কথা উল্লেখ করেন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা জুবাইদা আক্তার। তিনি জানান, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নির্দেশনায় নগরীকে ক্লিন, গ্রিন ও হেলদি সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অনুমতি ছাড়া যত্রতত্র পোস্টার, ব্যানার বা ফেস্টুন টানিয়ে নগরীর সৌন্দর্য নষ্ট করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
অভিযান শেষে চসিকের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, যারা আইন অমান্য করে নগরীর সৌন্দর্যহানি ঘтаবে, তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে। নগরবাসীর সহযোগিতায় এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে বলে জানানো হয়।








