চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি কমল ৮৩ শতাংশ
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে নতুন বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি বড় ধরনের হ্রাসের মুখোমুখি হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

চলती ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে নতুন বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। এই মাসে বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি হ্রাসের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৩ শতাংশ। দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও বৈদেশিক সহায়তার গতিপ্রকৃতি নিয়ে সম্প্রতি এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি নথিপত্র এবং সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া তথ্যে এই চিত্র উঠে এসেছে। দেশের macroeconomic বা সামষ্টিক অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলোর মধ্যে বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি অন্যতম। অর্থবছরের শুরুতেই এমন বড় পতন সংশ্লিষ্ট মহ దృష్టి আকর্ষণ করেছে।
সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এই সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে। ইআরডির হালনাগাদ তথ্যে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাসের পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, জুলাই মাসে বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতির ক্ষেত্রে আগের একই সময়ের তুলনায় বড় অবনতি ঘটেছে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ-ইআরডির সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে নতুন বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি ৮৩ শতাংশ কমেছে। এর ফলে দেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অর্থায়ন এবং বৈদেশিক সহায়তার প্রবাহ নিয়ে নতুন করে পর্যালোচনা শুরু হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থবছরের শুরুতেই বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি এভাবে কমে যাওয়ার বিষয়টি অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে ইআরডির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে কেবল হ্রাসের সুনির্দিষ্ট চিত্রটিই তুলে ধরা হয়েছে।
সামগ্রिकভাবে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ের এই পরিসংখ্যান দেশের বৈদেশিক সহায়তার বর্তমান অবস্থাকে নির্দেশ করে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ-ইআরডি নিয়মিতভাবে এই ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে, যা দেশের নীতিনির্ধারক ও গবেষকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়।








