চট্টগ্রাম বন্দরে অবৈধ জাল অপসারণে বিশেষ অভিযান
চট্টগ্রাম বন্দরের মূল শিপিং চ্যানেল ও বহির্নোঙরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১২ হাজার মিটার অবৈধ জাল অপসারণ করা হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ ও কোস্ট গার্ডের যৌথ উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালিত হয় এবং জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

চট্টগ্রাম বন্দরের মূল শিপিং চ্যানেল ও বহির্নোঙরের নিরাপত্তা এবং নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ২২ আগস্ট এই অভিযান পরিচালিত হয় বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। বন্দর এলাকার জলসীমায় অবৈধভাবে স্থাপন করা বিভিন্ন জালের কারণে নিয়মিত কার্যক্রমে যে বিঘ্ন ঘটছিল, তা দূর করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল বন্দর চ্যানেলের গুরুত্বপূর্ণ জলপথগুলোকে জালের কবল থেকে মুক্ত রাখা। সাম্প্রতিক সময়ে বন্দরের কিছু অসাধু চক্র এই এলাকায় অবৈধভাবে জাল পেতে রেখেছিল, যা বড় ধরনের নৌ দুর্ঘটনা বা বাণিজ্যিক জাহাজের প্রপেলারে পেঁচিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছিল। এসব বিষয় বিবেচনা করেই এই বিশেষ অভিযানটি সাজানো হয়।
অভিযানের সময় তল্লাশি চালিয়ে ১২ হাজার মিটার অবৈধ জাল এবং জাল স্থাপনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এই বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল ও সরঞ্জাম সফলভাবে অপসারণ করা হয়, যা বন্দর চ্যানেলের বর্তমান পরিস্থিতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই যৌথ অভিযান সফল করতে একাধিক জলযান অংশ নেয়। এতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব জলযান কাণ্ডারী-১২ এবং চারটি স্থানীয় বোট অংশ নেয়। এর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তার জন্য বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজও এই অভিযানে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিল।
উদ্ধারকৃত বা জব্দ করা অবৈধ জাল ও জাল স্থাপনের অন্যান্য সরঞ্জাম পরবর্তীতে নিয়ম অনুযায়ী নষ্ট করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং প্রাঙ্গণ সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত করতে এই জব্দ করা মালামাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের এমন যৌথ উদ্যোগের ফলে বন্দরের মূল শিপিং চ্যানেল ও বহির্নোঙরে নৌযান চলাচলের পথ আরও নিরাপদ হলো। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও নিরাপত্তা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকতে পারে।








