ঘাটাইলে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ কেলেঙ্কারিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ নদীতে ফেলার ঘটনায় মূল অপরাধীদের বাদ দিয়ে চালকের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়েছে। স্থানীয়রা দোষীদের শাস্তির দাবিতে থানা ও হাসপাতাল ঘেরাও এবং সড়ক অবরোধ করেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ কেলেঙ্কারি এবং মূল অপরাধীদের বাদ দিয়ে শুধু পিকআপ চালকের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জনতা। এই ঘটনার প্রতিবাদে ২৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ মানুষ ঘাটাইল থানা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘেরাও করেন এবং সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।
ঘটনার সূত্রপাত হয় ২৬ আগস্ট ২০২৬ মধ্য রাতে। ওই রাতে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি পিকআপ ভর্তি করে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ যমুনা নদীতে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এ সময় স্থানীয় জনতা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিষয়টি ধরে ফেলেন এবং পিকআপসহ ওষুধগুলো জব্দ করে ফেলেন। জনরোষের মুখে সে সময় বিষয়টি চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
পরবর্তীতে এই ঘটনায় ২৭ আগস্ট দিবাগত রাতে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটির বাদী হন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু নয়িম মোহাম্মদ সোহেল। তবে অভিযোগ উঠেছে যে, এই চাঞ্চল্যকর কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত আসল ও মূল অপরাধীদের সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে শুধুমাত্র পিকআপ চালক আজমতকে এই মামলায় আসামি করা হয়েছে।
পুলিশি পদক্ষেপে এই অসামঞ্জস্যের জেরে ২৮ আগস্ট দুপুরে অভিযুক্ত পিকআপ চালক আজমতকে আদালতে সোপর্দ করা হয় এবং পরবর্তীতে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। চালককে একা বলির পাঁঠা বানানোর এই চেষ্টা স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষের জন্ম দেয়।
এরই ধারাবাহিকতায় ২৯ আগস্ট স্থানীয় জনসাধারণ ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংঘটিত এই মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ কেলেঙ্কারির সঙ্গে প্রকৃত জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোচ্চার হন। তারা প্রথমে ঘাটাইল থানা এবং পরবর্তীতে হাসপাতাল ঘেরাও করেন এবং প্রধান সড়কগুলোতে অবরোধ সৃষ্টি করে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
স্থানীয়দের এই আকস্মিক ও তীব্র প্রতিবাদের মুখে ঘাটাইল এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করে। বিক্ষুব্ধ জনতা অবিলম্বে মূল হোতাদের মুখোশ উন্মোচন করে আইনের আওতায় আনার জোরালো দাবি জানান।








