গ্যাস সংকটে চট্টগ্রামে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত ও কারখানা বন্ধ
তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে চট্টগ্রামের বায়েজিদ, অক্সিজেন ও কালুরঘাট শিল্প এলাকার ছোট-বড় অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় অনেক কারখানায় উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলের উৎপাদন ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। গ্যাস সরবরাহের এই চরম ঘাটতির ফলে বায়েজিদ, অক্সিজেন ও কালুরঘাট শিল্প এলাকায় ছোট-বড় অনেক শিল্প-কারখানা ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। একইসঙ্গে চালু থাকা অনেক কারখানায় উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে বলে জানা গেছে।
কর্ণফুলি গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে চট্টগ্রামে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৭০ মিলিয়ন ঘনফুট। কিন্তু এর বিপরীতে স্বাভাবিক সময়ে গ্যাস পাওয়া যেত ২৫০ থেকে ২৬০ মিলিয়ন ঘনফুট। সাম্প্রতিক সময়ে এই সরবরাহ আরও কমে গেছে।
পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়ে বর্তমানে এই সরবরাহ নেমে এসেছে মাত্র ১৯০ থেকে ২০০ মিলিয়ন ঘনফুটে। চাহিদা ও সরবরাহের এই বিশাল ব্যবধানের কারণে চট্টগ্রামের শিল্প খাতে এই বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
চরম এই গ্যাস সংকটের ফলে বায়েজিদ, অক্সিজেন ও কালুরঘাট এলাকার শিল্প কারখানাগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম প্রায় থমকে গেছে। গ্যাস সংকটে অনেক কারখানা পুরোপুরি বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। যেসব কারখানায় উৎপাদন সচল রাখার চেষ্টা চলছে, সেখানেও গ্যাসের অভাবে উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে।
কর্ণফুলি গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) জানিয়েছে, মহেশখালী টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটি পুরোপুরি মেরামত না হওয়া এবং নতুন এলএনজিবাহী কার্গো না আসা পর্যন্ত বিদ্যমান পরিস্থিতি উন্নতির কোনো সম্ভাবনা নেই। ফলে কবে নাগাদ এই গ্যাস সংকট কাটবে এবং শিল্পাঞ্চলগুলো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না।








