গোবিন্দগঞ্জে করতোয়া নদীতে বালু উত্তোলনের অভিযানে ইউএনওর ওপর হামলা
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে করতোয়া নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন ইউএনও ও ভ্রাম্যমাণ আদালত। হামলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা ও এক শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থলে চারটি ড্রেজার মেশিন ধ্বংস করা হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৯:১৯· ১ মিনিট পড়া

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে করতোয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। গত সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুর গ্রাম এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত অভিযانের অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল।
অভিযান চলাকালে স্থানীয় ব্যক্তিরা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজনকে জড়ো করেন। এরপর তারা একত্রিত হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ও গাছের ডাল নিক্ষেপ করেন। এই অতর্কিত হামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ও প্রশাসন মারাত্মক পরিস্থিতির মুখে পড়ে।
হামলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়া এই আকস্মিক হামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের রাজু শেখ নামের এক শ্রমিকও গুরুতর আহত হন। হামলাকারীদের ছোড়া ইট-পাটকেলের আঘাতে তাদের এই আঘাতপ্রাপ্তির ঘটনা ঘটে।
উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেও ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে। অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ঘটনাস্থল থেকে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত চারটি ড্রেজার মেশিন সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়। নদী রক্ষা এবং অবৈধ ড্রেজার অপসারণের জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
ঘটনার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা বলেন, 'বিশ্বনাথপুর এলাকায় অভিযানে গেলে আমাদের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
এই হামলার ঘটনার পর গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অপরাধীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।








