গৃহিণী এলপিজি কার্ড চালুর প্রস্তুতি ও ১৮০ দিনের ই-বুক প্রকাশ
সরকার ‘গৃহিণী এলপিজি কার্ড’ চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক একটি ই-বুক প্রকাশ করা হয়েছে। পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে গ্যাস অনুসন্ধান ও কূপ খননের নানা লক্ষ্যমাত্রা তুলে ধরা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ঢাকা, বাংলাদেশ — ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ অনুযায়ী, বর্তমান সরকার দেশের জ্বালানি খাত ও জনকল্যাণে নতুন নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ হিসেবে 'গৃহিণী এলপিজি কার্ড' চালুর প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। এই কার্ড চালুর মাধ্যমে দেশের গৃহিণীদের জন্য এলপিজি গ্যাস প্রাপ্তি সহজ ও সুশৃঙ্খল করার পরিকল্পনা রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।
একই দিনে সরকারের কার্যক্রম ও সাফল্য তুলে ধরে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা আত্মপ্রকাশ করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে 'জনগণের সরকারের ১৮০ দিন' শীর্ষক একটি ই-বুক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। এই ই-বুকে সরকারের গত ছয় মাসের বিভিন্ন নীতিনির্ধারক সিদ্ধান্ত, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং জনকল্যাণমুখী নানা পদক্ষেপের বিস্তারিত বিবরণ স্থান পেয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পেট্রোবাংলা ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ২০২৫-২৬ মেয়াদে দেশে মোট ৫০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো মাঠপর্যায়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
শুধু বর্তমান মেয়াদি লক্ষ্যই নয়, আগামী দিনের জন্যও বড় পরিকল্পনা নিয়েছে পেট্রোবাংলা। সংস্থাটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২৬-২৮ মেয়াদে আরও ১০০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এই কূপ খনন কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্যাস অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও সংস্কার মিলিয়ে দেশের মোট ৫০টি কূপে কাজ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে সিস্টেমের দক্ষতা বাড়াতে এবং উৎপাদন সচল রাখতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
চলমান এই কার্যক্রমে পুরোনো অবকাঠামো সংস্কারের ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে ৩১টি পুরোনো কূপ সংস্কারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এসব কূপ সংস্কার করা হলে দেশের গ্যাস উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে বলে পেট্রোবাংলার সংশ্লিষ্ট সূত্র আশা প্রকাশ করেছে।
বলাবাহুল্য, দেশীয় উৎপাদনের পাশাপাশি অফশোর বা সামুদ্রিক অঞ্চলেও জ্বালানি অনুসন্ধানের পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গোপসাগরের ২৬টি ব্লকের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এই আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম আরও বেগবান করা সম্ভব হবে।








