গারنسিতে স্বাস্থ্য পরিষেবায় ৫ বছরে ২০টি স্বতন্ত্র তদন্ত
গার্নসি হেলথ অ্যান্ড সোশ্যাল কেয়ার কমিটি গত পাঁচ বছরে প্রায় ১ লাখ ৮৮ হাজার পাউন্ড ব্যয়ে ২০টি স্বাধীন তদন্ত ও পর্যালোচনা পরিচালনা করেছে। প্যাথলজি, মাতৃত্ব এবং চক্ষুবিজ্ঞান বিভাগসহ বিভিন্ন খাতের এসব পর্যালোচনার সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

গার্নসি হেলথ অ্যান্ড সোশ্যাল কেয়ার (এইচএসসি) গত পাঁচ বছরে তাদের স্বাস্থ্য পরিষেবার ওপর মোট ২০টি স্বাধীন তদন্ত বা পর্যালোচনা কমিশন করেছে। ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে পরিচালিত এসব স্বতন্ত্র তদন্ত ও পর্যালোচনার পেছনে মোট খরচ হয়েছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৭৯ পাউন্ড, যা আনুমানিক প্রায় ১ লাখ ৮৮ হাজার পাউন্ড।
ডেপুটি গ্যাভিন সেন্ট পিয়ার এই বিষয়ে একটি প্রশ্ন উত্থাপন করেছিলেন। তিনি জানতে চেয়েছিলেন যে কমিটি ঠিক কতগুলো পর্যালোচনা কমিশন করেছে এবং সেগুলোর মূল ফলাফল বাFindings কী ছিল। তার এই প্রশ্নের জবাবেই স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে জড়িত এই ব্যয় ও পর্যালোচনার বিস্তারিত তথ্য সামনে আসে।
গার্নসি হেলথ অ্যান্ড সোশ্যাল কেয়ার (এইচএসসি) কমিটির প্রেসিডেন্ট জর্জ অসওয়াল্ড। তার নেতৃত্বাধীন এই কমিটির মাধ্যমে অথবা তাদের পক্ষে এই তদন্তগুলো পরিচালিত হয়। ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের এই পাঁচ বছরের সময়সীমার মধ্যে মোট কুড়িটি স্বতন্ত্র পর্যালোচনা সম্পন্ন বা কমিশন করা হয়েছে।
পরিচালित এই ২০টি স্বতন্ত্র তদন্ত ও পর্যালোচনার পরিধি বেশ বিস্তৃত ছিল। এর মধ্যে স্বাস্থ্য খাতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিভাগ অন্তর্ভুক্ত ছিল। বিশেষ করে প্যাথলজি বিভাগ, মাতৃত্ব বিভাগ এবং চক্ষুবিজ্ঞান বা অপথালমোলজি বিভাগের বিভিন্ন দিক নিয়ে এই স্বাধীন পর্যালোচনাগুলো চালানো হয়।
মূলত স্বাস্থ্য পরিষেবার মান উন্নয়ন এবং বিভিন্ন বিভাগের কার্যক্রম খতিয়ে দেখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এইচএসসি-র সরাসরি কমিশন করা ২০টি প্রতিবেদনের বাইরেও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর আরও দুটি অন্যান্য প্রাসঙ্গিক প্রতিবেদন ছিল, যা সরাসরি এই কমিটি কমিশন করেনি।
সব মিলিয়ে গার্নসির স্বাস্থ্য খাতের সেবার মান ও কার্যকারিতা মূল্যায়নে গত পাঁচ বছরে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক তদন্ত পরিচালিত হয়েছে। প্রায় ১ লাখ ৮৮ হাজার পাউন্ডের এই আর্থিক ব্যয়ের মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের ভেতরের চিত্র এবং সেগুলোর কার্যকারিতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়েছে।








