খুলনায় মান পরীক্ষায় ফেল মশক নিধনের নতুন ওষুধ, ফেরতের নির্দেশ
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) মশক নিধনের নতুন কেনা ওষুধ প্রাথমিক মান পরীক্ষায় ফেল করেছে। পরীক্ষামূলক প্রয়োগে প্রয়োজনীয় লার্ভা না মরার কারণে এর চালান ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) মশক নিধনের জন্য সম্প্রতি কেনা নতুন ওষুধ প্রাথমিক মান পরীক্ষায় ফেল করেছে। পরীক্ষামূলক প্রয়োগে ওষুধটির কার্যকারিতা না পাওয়ায় তা দ্রুত ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর খুলনা, বাংলাদেশে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে।
মশা নিধনের এই কার্যক্রমে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে বড় পরিসরে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। এর অংশ হিসেবে মোট তিন হাজার লিটার অ্যাডাল্টি সাইট কেনা হয়। একই সঙ্গে মশার প্রজনন রোধ করতে দুই হাজার লিটার লার্ভি সাইটও কেনা হয়েছিল।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) ৩১টি ওয়ার্ডজুড়ে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা ছিল। এই লক্ষ্যে মোট ১৫৫ জন শ্রমিক নিয়োগ করা হয়েছিল, যারা মাঠপর্যায়ে মশক নিধন ওষুধ প্রয়োগের কাজে যুক্ত ছিলেন।
তবে নতুন কেনা লার্ভি সাইটের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য তা পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হয় এবং নিয়ম অনুযায়ী ৪৮ ঘণ্টা রাখা হয়। সাধারণত এ ধরনের ওষুধ ব্যবহারের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা হয়নি।
এ বিষয়ে খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বেশিরভাগ লার্ভা মারা যাওয়ার কথা। কিন্তু ৪৮ ঘণ্টা পর ১৫ শতাংশ লার্ভা মরেনি।
প্রাথমিক মান পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল না আসায় ওই ওষুধের পুরো চালান ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জরুরিভিত্তিতে কিভাবে আরও ভালো ওষুধ কেনা যায় এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মশক নিধন কার্যক্রমে মান নিশ্চিত করতে কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্তই নয়, বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়ার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কীটতত্ত্ববিদদেরও সহযোগিতা নিতে বলা হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে মানসম্মত ওষুধ কেনা নিশ্চিত করা যায়।








